দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সুদানে শাহাদাত বরণকারী ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর নামাজে জানাজা ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় ছয় শান্তিরক্ষী শহীদ হন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, জানাজায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁনসহ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন। গণমাধ্যমকর্মীরাও জানাজায় উপস্থিত ছিলেন।
জানাজার আগে শহীদ শান্তিরক্ষীদের জীবনবৃত্তান্ত পাঠ করা হয় এবং তাঁদের স্বজনরা বক্তব্য দেন। এরপর জাতিসংঘ মহাসচিবের পক্ষে ইউনিসফার চিফ কমিউনিটি লিয়াজোঁ অফিসার বরিস-এফ্রেম চৌমাভি বক্তব্য রাখেন। জানাজা শেষে শহীদদের যথাযথ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার পক্ষে তাঁর সামরিক সচিব শহীদদের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। পরে ইউনিসফার চিফ কমিউনিটি লিয়াজোঁ অফিসার শহীদ শান্তিরক্ষীদের পরিবারের হাতে জাতিসংঘ মহাসচিবের পক্ষ থেকে জাতিসংঘের পতাকা তুলে দেন।
জানাজা শেষে শহীদদের পরিবারের কাছে প্রধান উপদেষ্টার স্বাক্ষরিত পৃথক শোকবার্তা হস্তান্তর করা হয়।
এই ড্রোন হামলায় ছয় শান্তিরক্ষী শহীদ হওয়ার পাশাপাশি নয়জন আহত হন। আহতদের মধ্যে আটজন কেনিয়ার নাইরোবিতে আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং সবাই শঙ্কামুক্ত বলে জানানো হয়েছে।
ঘটনার পর বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হামলার তীব্র নিন্দা জানান। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদপত্র পাঠানো হয়েছে এবং সব মিশন এলাকায় দ্রুত ড্রোন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এমএস/