দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব খাজা মিয়াকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ জুলাই) রাতে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় পদায়ন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। খাজা মিয়া বিসিএস দশম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা। ২০২৪ সালের ৪ জুলাই পর্যন্ত তার চাকরির মেয়াদ আছে।
জানা গেছে, সিনিয়র সচিব খাজা মিয়ার বাড়ি কালিয়া উপজেলার ফুলদাহ গ্রামে। অনেকদিন ধরেই ওই এলাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন তিনি। সর্বশেষ ঈদুল আজহার ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে যান তিনি। ঈদের আগে ও পরে এলাকায় বেশ কয়েকটি পথসভা ও উঠান বৈঠক করেছেন এই আমলা।
এর আগেও তিনি নড়াইল সদরের একাংশ, কালিয়া ও নড়াগাতিতে সভা-সমাবেশ করেছেন। এসব সভায় আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। তার এ কার্যক্রম সরকারি কর্মচারী আচরণবিধির লঙ্ঘন।
এদিকে গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী কোনও সরকারি কর্মকর্তার অবসর ৩ বছর পার হওয়ার আগে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ নেই।
সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা ১৯৭৯-এর ২৫(১) ধারায় (রাজনীতি ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ) বলা হয়েছে, ‘সরকারি কর্মচারী কোনও রাজনৈতিক দলের বা রাজনৈতিক দলের কোনও অঙ্গ সংগঠনের সদস্য হতে অথবা অন্য কোনোভাবে যুক্ত হতে পারবেন না অথবা বাংলাদেশ বা বিদেশে কোনও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে বা কোনও প্রকারের সহায়তা করতে পারবেন না।’
অন্যদিকে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর ১২ (১) (চ) ধারায় বলা হয়েছে, ‘প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের বা প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগের কোনও চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন বা অবসর গমন করেছেন এবং উক্ত পদত্যাগ বা অবসর গমনের পর তিন বছর অতিবাহিত না হয়ে থাকে। অর্থাৎ অবসর বা পদত্যাগের পর তিন বছর শেষ না হলে কোনও সরকারি চাকরিজীবী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না।
খাজা মিয়া আগামী বছর ৪ জুলাই অবসরে যাবেন।