দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ফাইন্যানশিয়াল টাইমস একটি নতুন ডকুমেন্টারিতে দাবি করেছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৫ বছরের মেয়াদে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে লোপাট হয়েছে। ডকুমেন্টারির শিরোনাম “Bangladesh's Missing Billions, Stolen in Plain Sight”।
ডকুমেন্টারিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী, বিশেষজ্ঞ, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদরা উপস্থিত থেকে প্রশ্ন তুলেছেন—কিভাবে এত টাকা বিদেশে পাঠানো হলো এবং তা দেশে ফেরানো সম্ভব কি না। প্রদর্শিত উপাত্ত অনুযায়ী, লোপাটকৃত অর্থ বিভিন্ন উপায়ে লন্ডনে পৌঁছে—যেমন অতিরিক্ত বা কম চালান দেখানো, অবৈধ চ্যানেল ব্যবহার, এবং যুক্তরাজ্যে সম্পত্তি ক্রয়।
ডকুমেন্টারিতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী মহলের সংযোগযুক্ত কিছু ব্যক্তিকে বিদেশী সম্পত্তির মালিকানায় যুক্ত থাকার অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাদের মধ্যে শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিককেও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তিনি এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অস্বীকার করেছেন।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, জটিল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এই অর্থের কোনো অংশ পুনরায় দেশে আনতে সময় লাগবে। এক সূত্র বলেন, 'বিলিয়ন ডলার চুরি করা যায়, সেরা আর্থিক পরামর্শদাতা নিয়োগ করা যায়, কিন্তু অর্থ ট্রেস করা কঠিন, আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ।'
ডকুমেন্টারি আরও দেখায়, ২০২৪ সালের শিক্ষার্থী আন্দোলনের পেছনে অবাধ লোপাট, স্বচ্ছতার অভাব এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের বোধগম্য দায়মুক্তি ভূমিকা রেখেছে। এটি বলেছে, বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হওয়ায় আর্থিক নিপীড়নের ঝুঁকিতে পড়েছে এবং অনেক সময় প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে সক্ষম বা আগ্রহী ছিল না।
এমএস/