দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পড়াশোনা নিয়ে সন্তানকে মানসিকভাবে চাপ না দিতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেছেন, শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য অনেক অনেক জরুরি।
শনিবার (২৪ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সংগঠনটির উদ্যোগে আয়োজিত এসএসসি-এইচএসসি কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সদস্য সন্তানদের মধ্যে এসএসসির ২০ ও এইচএসসির ২৫ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।
দীপু মনি বলেন, ‘বাচ্চা যখন স্কুল থেকে বাসায় আসবে তাকে জিজ্ঞেস করবেন না তুমি কত নম্বর পেয়েছ? জিজ্ঞেস করবেন, বাবা তুমি নতুন কী শিখেছ। আমাদের প্রত্যাশার চাপ বাচ্চাদের ওপর চাপিয়ে দেই।
তিনি আরও বলেন, আমরা কেউ প্রকৌশলী হতে চেয়েছিলাম, হতে পারিনি। আমার সন্তানকে প্রকৌশলী বানাতেই হবে। বাচ্চা হতে চায় কি চায় না সেটা, ওর ইচ্ছা আছে বা নাই, আমরা জানতেও চাই না। আমরা জোর করে বাচ্চাদের আত্মবিশ্বাস, আত্মসম্মান ধুলায় মিশিয়ে দিচ্ছি। বাচ্চাদের জীবনের শুরুতে, কোনো একটি স্কুলে ভর্তি না হতে পারায় তারা নিজেদের অপরাধী ভাবে। আমরা একবারও ভাবি না, বাচ্চাটার জীবনের শুরুতে মানসিকভাবে ভঙ্গুর করে দিচ্ছি।
মন্ত্রী বলেন, যে দেশ যত বেশি উন্নত ও সমৃদ্ধ হয়েছে, সে দেশে কারিগরি শিক্ষার হার তত বেশি। কারিগরি শিক্ষা নিয়ে সমাজে এক ধরনের সামাজিক ট্যাবু আছে। সেই ট্যাবু দূর করতে হবে। দেশে প্রতিবছর লাখ লাখ অনার্স-মাস্টার্স গ্র্যাজুয়েট তৈরি করছি। তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে না। যারা ট্রেড কোর্সে পড়ালেখা করেছে, তারা অনেক আগেই কর্মজীবনে চলে যায়। তারা অনেক বেশি ভালো রোজগার করে। আমরা যেটা করার চেষ্টা করছি, কেউ যদি ট্রেড কোর্স থেকে অন্য শিক্ষার পথে যায়, সেই পথ আমরা খুলে দিচ্ছি। এই ব্যবস্থা ছিল না।
ডিআরইউ সভাপতি মুরসালিন নোমানীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসবিএসি ব্যাংক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী হাবিবুর রহমান, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কল্যাণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হারুন জয়নাল, সিনিয়র সদস্য সালাউদ্দিন লাভলু, বিএফইউজের মহাসচিব দীপ আজাদ, মুজিবুর রহমান, আমান উল্লা প্রমুখ।