দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের জন্য ইতালির ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রোববার (১২ মে) দেশটির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ আহ্বান জানান। পরে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এম নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।
তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বলেন, দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজার ছাড়াও বাংলাদেশের বিশাল অভ্যন্তরীণ বাজার রয়েছে।
তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারের বড় কেন্দ্রীয় বাজার হতে পারে বাংলাদেশ। ২০২৬ সালের পর বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী ইউরোপীয় দেশগুলোতে বাংলাদেশি রপ্তানিতে জিএসপি প্লাস সুবিধা অব্যাহত রাখতে ইতালিকে সহায়তা করার আহ্বান জানান।
দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগানোর অনুরোধ জানান তিনি।
ইতালিসহ ইউরোপের দেশগুলোতে অবৈধ অভিবাসীদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ যাতে অবৈধভাবে কোনো দেশে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য সরকার সর্বাত্মক উদ্যোগ নিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক যে, ইউরোপের দেশগুলোতে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে বাংলাদেশিসহ অনেকে মারা গেছে।
সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের বিবরণ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এজন্য আমরা আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করছি।
ইতালিকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আরও বাংলাদেশি জনশক্তি নেওয়ার অনুরোধ জানান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে তার সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, তার দেশ প্রযুক্তি স্থানান্তর ও প্রতিরক্ষা সামগ্রী ক্রয় এবং বিভিন্ন খাতে আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে চায়। বাংলাদেশকে দ্বিতীয় স্যাটেলাইট সরবরাহে ইতালির গভীর আগ্রহের কথাও জানান তিনি।
দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ কমাতে বাণিজ্য বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রদূত।
রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলাপকালে উভয়েই জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের তাদের নিজ দেশে সম্মানজনক প্রত্যাবাসনের বিষয়ে একমত হন।
ডিপি/