দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দেশের বন্ধ থাকা বিমানবন্দরগুলো চালুর পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান।
তবে তার দাবি, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন, যাত্রী চাহিদা এবং এয়ারলাইন্সমূহের আগ্রহের প্রেক্ষিতে সরকারের সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে বন্ধ বিমানবন্দর সমূহ চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে।
রোববার (৫ মে) সংসদের প্রশ্নোত্তরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী এ তথ্য জানান। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ নাহিদ নিগারের প্রশ্নের জবাবে বিমানমন্ত্রী বিমানকে লাভজনক করার জন্য সরকারের পদক্ষেপ সমূহ তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে বিমানের বিদ্যমান রুটসমূহ মূল্যায়নপূর্বক পরিচালন ব্যয় বিবেচনায় লাভজনক রুট চিহিৃত করে বিভিন্ন গন্তব্যে সাপ্তাহিত ফ্রিকোয়েন্সী বৃদ্ধি করা হয়।
তিনি বলেন, এছাড়া বাহরাইনের ফ্লাইট পুন:প্রবর্তন। নতুন গন্তব্য হিবেবে মালে, সিডনি, কুনমিং, জার্কাতা এবং চীনের উহানে বিমানের সার্ভিস সম্প্রসারণ এবং বেবিচকের ক্যাটাগরি-১ এ উন্নীত হওয়া সাপেক্ষে নিউইয়র্কে বিমানে ফ্লাইট পরিচালনা করার বিষয়ে কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পরিকল্পনা মোতাবেক বহরে নতুন উড়োজাহাজ সংযোজন সাপেক্ষে বিমানের পুরাতন উড়োজাহাজসমূহ ফেইজ আউট করা হবে।
বিমানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ গন্তব্যের মধ্যে প্রথাগত ফ্লাইট পরিচালনার পাশাপাশি ঢাকা-সৈয়দপুর-কক্সবাজার-সৈয়দপুর-ঢাকা এবং ঢাকা-সিলেট-কক্সবাজার-সিলেট-ঢাকা রুটে ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে বিমান আশাবাদী।
মুহাম্মদ ফারুক খান জানান, বর্তমানে দেশে তিনটি আন্তর্জাতিক, সাতটি অভ্যন্তরীণ ও পাঁচটি স্টল বিমানবন্দর রয়েছে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তিনটি এবং পাঁচটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর চালু রয়েছে। এসব বিমানবন্দর দিয়ে আন্তর্জাতিক এবং অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। বিমানবন্দরগুলোর মধ্যে তেজগাঁও বিমানবন্দর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) আওতায় নেই।
সংসদে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, স্টল বিমানবন্দর রয়েছে লালমনিরহাট, ঠাকুরগাঁও, শমসেরনগর (মৌলভীবাজার), কুমিল্লা ও বগুড়ায়। এগুলোর রানওয়ে ছোট হয় এবং সাধারণত ছোট আকারের বিমান ওঠানামা করতে পারে। তবে বাংলাদেশের স্টল বিমানবন্দরগুলোর বেশির ভাগ পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে।
ডিপি/