দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঝালকাঠি-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ব্যারিস্টার এম শাহজাহান ওমর নির্বাচন কমিশনে (ইসি) কেন আসলেন, সেই প্রসঙ্গ এড়িয়ে গেলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আপিল আবেদন গ্রহণ কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে শাহজাহান ওমরের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়িয়ে যান তিনি।
নির্বাচনি আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি তলব করার পরেরদিন দুপুরে সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে নির্বাচন ভবনে আসেন শাহজাহান ওমর। এসময় সাংবাদিকরা ইসিতে আসার কারণ জানতে চাইলে মেজাজ হারিয়ে তিনি বলেন, ‘ইসিতে কেন এসেছি আপনাকে কেন বলব? আমি কেন এসেছি, এ বিষয়ে আপনাদের জবাবদিহিতা করতে হবে? আমি এমনিতেই ঘুরতে এসেছি, আপনাদের দেখতে এসেছি।’
এসময় কয়েকজন সাংবাদিক ছবি তুলতে চাইলে রেগে যান তিনি। ছবি তোলা ও প্রশ্ন করায় সাংবাদিকদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন শাহজাহান ওমর।
এরপর বিকেলে শাহজাহান ওমর কেন এসেছিলেন জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ‘ওটা আমার বিষয় নয়।’
নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি অনেক প্রার্থীকে শোকজ দিলেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন জানতে চাইলে প্রশ্ন শেষ হওয়ার আগেই সিইসি বলেন, ‘আমি যতটুকু বলার ততটুকুই বলেছি। এর বাইরে কিছু বলব তা আমি বলিনি।’
অন্য প্রশ্নের জবাবে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পরে সংক্ষুব্ধ যারা আপিল করতে পারেন। আমাদের রিটার্নিং অফিসাররা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে নেন। কিছু কিছু প্রত্যাখ্যান করেন। যারা প্রত্যাখ্যাত হন, যাদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়—দুটোর বিরুদ্ধেই কিন্তু আপিল করা যায়। আপিল করার জন্য একটা নির্দিষ্ট সময় আছে। ৫ ডিসেম্বর থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত আপিল করতে পারবেন যে কেউ।’
সিইসি বলেন, ‘আপিল করলে ১০টা অঞ্চল ঠিক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলভিত্তিক আপিল দায়ের করা হবে। আমি প্রথমবার দেখলাম কর্মকর্তারা চমৎকারভাবে আপিল আবেদনগুলো গ্রহণ করছেন। এগুলো আপিল শুনানিতে দাখিল করা হবে। আপিল শুনানি হবে ১০ ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। আমরা তখন পুরো কমিশন বসে আপিলগুলো শুনব। শুনে আমরা সিদ্ধান্ত দেব।’
টি