দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার মধ্যেই মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাসের চলে যাওয়ার ঘটনাকে ‘হতাশাজনক’ অ্যাখ্যা দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।
সোমবার (২০ নভেম্বর) ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।
ঢাকার কিছু গণমাধ্যমের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে’ ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদরা মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে ‘হুমকি’ দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে রাষ্ট্রদূতের মতো বিদেশি অতিথিদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে দেশের সক্ষমতার প্রতি আস্থা ব্যক্ত করে এসব অভিযোগ ‘অস্বীকার’ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।
তিনি বলেন, ‘আমার একটা দায়িত্ব আছে। এখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত সব রাষ্ট্রদূত আমাদের অতিথি এবং তাদের দেখাশোনা করা আমাদের দায়িত্ব। বিদেশে বাংলাদেশি কূটনীতিকদের যতটুক নিরাপত্তা দেওয়া হয়, তাদেরও সে পরিমাণে নিরাপত্তা দেওয়া হয়। আমরা নিশ্চিতভাবে জানি, তিনি কোথায় আছেন, এসব তার জল্পনা। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক, আমাদের এগুলো নিয়ে আলোচনা করা উচিত নয়। কিন্তু আমি তার অবস্থান, ব্যক্তিগত এবং অফিসিয়াল কোনো তথ্য প্রকাশ করব না। কিন্তু আমরা সবই জানি।’
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস দেশ ছাড়ছেন বলে জানা গেছে। আগামী ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।বাংলাদেশের সূত্র এএনআই’কে জানিয়েছে, পিটার হাস বর্তমানে শ্রীলঙ্কায় রয়েছেন। এএনআই’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন ভিসা বিধিনিষেধ নিয়েও কথা বলেছেন শাহরিয়ার আলম। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যারা বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনের আগে আইন মানবে না, তারা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে পারে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পরামর্শটি স্ব-ব্যাখ্যামূলক যা আমরা পছন্দ করি না। তবে আমরা যেকোনো দেশের সিদ্ধান্তকে সম্মান করি এবং আমি নিশ্চিতভাবে আশাবাদী ছিলাম যে নতুন ভিসা নীতি বিএনপি এবং জামায়াতকে ২০১৪ সালে করা নৃশংসতার পুনরাবৃত্তি থেকে বিরত রাখবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, এটি ব্যর্থ হয়েছে। তাই নতুন ভিসানীতি এই প্রক্রিয়াটিকে মোটেও সাহায্য করেনি। তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এটি পর্যালোচনা করতে হবে।’
টি/এইউ