দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আগামী ১০ অক্টোবর উদ্বোধন হতে যাওয়া পদ্মাসেতুর রেল সংযোগ দিয়ে তিনটি যাত্রীবাহী ট্রেন চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে রেলওয়ে। এ পথে চলা ট্রেনের ভাড়া স্লাব অনুযায়ী নির্ধারণের প্রস্তাব করেছে এ সংক্রান্ত কমিটি। রেলওয়ের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (পূর্বাঞ্চল) নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। সেখানে স্লাবের পাশাপাশি ক্যাটাগরি অনুযায়ীও ভাড়া নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে।
কোনটি চূড়ান্ত হবে, তা নির্ধারণ করবে রেলপথ মন্ত্রণালয়। গতকাল রেলওয়ে থেকে এ সংক্রান্ত নথি পাঠানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ে।
ভাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী জানান, এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এ সংক্রান্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এরপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে রেলপথ মন্ত্রণালয়।
জানা যায়, পদ্মাসেতুতে ঢাকা-খুলনা রুটের সুন্দরবন এক্সপ্রেস ও ঢাকা-যশোর রুটের বেনাপোল এক্সপ্রেস চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে রেলওয়ে। ট্রেন দুটি বর্তমানে ঢাকা টঙ্গী, জয়দেবপুর, যমুনা বঙ্গবন্ধু সেতু, ঈশ্বরদী, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ হয়ে গন্তব্যে যায়। রেল সংযোগ চালুর পর পদ্মাসেতু হয়ে যাবে।
এছাড়া ফরিদপুরের ভাঙ্গা-রাজশাহী রুটের মধুমতি এক্সপ্রেসকে পদ্মাসেতু হয়ে ঢাকা পর্যন্ত চালানোর প্রস্তুতি রয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবর পদ্মা রেলসংযোগ প্রকল্পের উদ্বোধন হলেও ট্রেন চলতে শুরু করবে নভেম্বর থেকে।
বর্তমানে ঢাকা-খুলনা রুটে ‘চিত্রা এক্সপ্রেস’ এবং ‘সুন্দরবন এক্সপ্রেস’ চলাচল করে। এই দুই ট্রেন যশোর হয়ে খুলনায় যায়। ঢাকা-যশোর রুটে চলাচল করে ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’। এই ট্রেনটি খুলনায় যায় না। সীমান্তবর্তী বেনাপোল জংশন পর্যন্ত যায়। ‘সুন্দরবন এক্সপ্রেস’ এবং ‘বেনাপোল এক্সপ্রেস’ পদ্মাসেতু রেল সংযোগ চালুর পরদিন থেকেই চলবে না। কারণ, পদ্মা রেল সংযোগের সাব স্টেশন এবং সিগন্যাল এখনও প্রস্তুত হয়নি। পদ্মা সেতু হয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হলে দূরত্ব কমবে ঢাকা-খুলনা রুটে।
জেডএ