দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক পরিবহনের অনুমতি মিলেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) থেকে কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে চলাচল করেছে তিনটি পর্যটকবাহী জাহাজ।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এমভি বার আউলিয়া, এমভি কর্ণফুলী ও এমভি টেকনাফ নামের তিনটি জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে। জাহাজ তিনটিতে একসঙ্গে মোট ২ হাজার ২৯৮ জন যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে বিআইডব্লিউটিএর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক শাখার উপপরিচালক সালমা আফরোজ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ অনুমতির বিষয়টি জানানো হয়।
জাহাজমালিকদের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ জেটিঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে জাহাজগুলো ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের অনুমোদনের পাশাপাশি কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মতি পাওয়ার পর জাহাজ চলাচলের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, এমভি বার আউলিয়া সকাল ৭টায় এবং এমভি কর্ণফুলী সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে নুনিয়ারছড়া ঘাট ছাড়বে। অন্যদিকে এমভি টেকনাফ সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে যাত্রা শুরু করবে। জাহাজটি বেলা সাড়ে ৩টার দিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন পেয়েছে এমভি বার আউলিয়া, এমভি কর্ণফুলি ও এমভি টেকনাফ। তিনটি জাহাজের মোট ধারণক্ষমতা ২ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে এমভি বার আউলিয়ায় ৮৫০, এমভি কর্ণফুলিতে ৭৩২ এবং এমভি টেকনাফে ৭১৬ জন যাত্রী ধারণ করতে পারবেন।
এর আগে ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটক ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হলেও জাহাজ চলাচলের অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় পর্যটক পরিবহন শুরু নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। অবশেষে তিনটি জাহাজের অনুমোদন পাওয়ায় সেই অনিশ্চয়তা কাটল।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা সেন্টমার্টিন দ্বীপ ভ্রমণ ও সেখানে রাতযাপন করতে পারবেন। তবে দ্বীপে প্রবেশের জন্য ট্রাভেল পাস এবং কিউআর কোডযুক্ত টিকিট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এ সময়ে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন। পরিবেশ সংরক্ষণ ও দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটকদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
কে