দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এরই মধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছুটির ও উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। ভোট দিতে গ্রামমুখী মানুষের ঢল নামায় অনেক এলাকায় মোবাইল কল ড্রপ ও নেটওয়ার্ক জ্যামের অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে ভোটের দিন সারাদেশে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবা নির্বিঘ্ন রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার ও অপারেটররা।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ভালো মানের মোবাইল নেটওয়ার্ক ও প্রয়োজনীয় ক্যাপাসিটি নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নেটওয়ার্কে কোনো সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক সমাধানের জন্য ২৪ ঘণ্টা বিশেষ সাপোর্ট টিম কাজ করবে। মোবাইল অপারেটরদের পক্ষ থেকেও আলাদা মনিটরিং টিম থাকবে এবং ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে।
প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘সব ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নেটওয়ার্কের ভালো কভারেজ ও প্রয়োজনীয় ক্যাপাসিটি নিশ্চিত করতে অপারেটরদের বলা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা স্পেশাল সাপোর্ট টিম ও রোস্টার থাকবে। কোনো জ্যামার থাকবে না। যেহেতু পুলিশ ও আনসার প্রযুক্তি ব্যবহার করবে, নেটওয়ার্ক সর্বোচ্চ পর্যায়ে চালু রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশনস শারফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘নেটওয়ার্ক সেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে আমরা সব ধরনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। সার্বক্ষণিক নেটওয়ার্ক অপারেশন মনিটরিংয়ের জন্য একটি বিশেষ ইমার্জেন্সি টিম গঠন করা হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে কোথাও কোনো জ্যামার থাকবে না।’
রবি আজিয়াটা পিএলসির চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বলেন, ‘নির্বাচনকালীন গ্রাহকদের জন্য স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য নেটওয়ার্ক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। গুরুত্বপূর্ণ এলাকাভিত্তিক সার্বক্ষণিক মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাকআপ পাওয়ার ও টেকনিক্যাল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’
বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের আগে, চলাকালীন ও পরে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেটের গতি স্বাভাবিক রাখতে নেটওয়ার্ক অপটিমাইজেশনসহ সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আমাদের টেকনিক্যাল টিম ২৪ ঘণ্টা সারাদেশের নেটওয়ার্ক নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং এ কাজে বিটিআরসি, নির্বাচন কমিশন ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় রয়েছে।’
এদিকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা নির্বিঘ্ন রাখতে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেন, ‘আমাদের নেটওয়ার্ক সব জায়গায় ঠিকঠাক রয়েছে। বিটিআরসি ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় অতিরিক্ত জনবল ও বাড়তি নজরদারিতে কাজ করা হচ্ছে। আশা করছি কোথাও বড় ধরনের সমস্যা হবে না।’
এমএস/