দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রমজান মাসে সেহরি, ইফতার ও তারাবির কারণে দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক রুটিনে বড় পরিবর্তন আসে। ফলে অনেকের ঘুমের সময় কমে যায়। দেখা দেয় ক্লান্তি, মাথাব্যথা ও মনোযোগের ঘাটতি। তবে কিছু সচেতনতা মানলে এসব সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
রমজানে ঘুম কমে গেলে করণীয়
রাতে টানা ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম সম্ভব না হলে ঘুমের সময় ভাগ করে নেওয়া যেতে পারে। ৪–৫ ঘণ্টা রাতের ঘুমের সঙ্গে দিনে ৩০–৬০ মিনিটের একটি ছোট ঘুম বা পাওয়ার ন্যাপ শরীর ও মস্তিষ্ককে কিছুটা সতেজ করে। পাশাপাশি সেহরি ও ফজরের নামাজের পর সুযোগ থাকলে ৩০–৪৫ মিনিটের হালকা ঘুম শক্তি ফেরাতে সহায়ক হতে পারে।
ইফতারের পর অতিরিক্ত চা বা কফি খেলে ঘুম আসতে দেরি হয়। বিশেষ করে তারাবির নামাজের পর ক্যাফেইন এড়িয়ে চলাই ভালো। এছাড়া ইফতারে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া বা ভারি খাবার খেলে হজমে সমস্যা হয়, ঘুম ব্যাহত হয়। খাদ্যতালিকায় খেজুর, ফল, পানি ও হালকা প্রোটিন রাখলে উপকার পাওয়া যায়।
ঘুমের নির্দিষ্ট সময় ঠিক রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন সম্ভব হলে একই সময়ে ঘুমাতে গেলে শরীর দ্রুত নতুন রুটিনের সঙ্গে মানিয়ে নেয়। এছাড়া ঘুমের আগে দীর্ঘ সময় মোবাইল বা টিভি ব্যবহার না করাই ভালো। অন্তত ৩০ মিনিট আগে স্ক্রিন বন্ধ করলে ঘুম ভালো হয়।
পানিশূন্যতা ক্লান্তি বাড়ায়। তাই ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করলে শরীর ভালো থাকে এবং ঘুমের মানও উন্নত হয়।
কখন সতর্ক হবেন?
তবে দীর্ঘদিন ঘুমের ঘাটতিতে যদি মাথা ঘোরা, বুকে ধড়ফড়, অতিরিক্ত অবসাদ বা মনমরা ভাব দেখা দেয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। রমজান ইবাদতের মাস, আর সুস্থ শরীরই ইবাদতে মনোযোগের প্রধান শর্ত। সামান্য পরিকল্পনা ও সচেতনতার মাধ্যমে ঘুমের ঘাটতি সামলে সুস্থ থাকা সম্ভব।
/অ