দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পুরুষ বন্ধ্যাত্ব একটি বাস্তব সমস্যা হলেও আগেকার দিনে এই বিষয়ে খুব একটা আলোচনা করা হতো না। সাধারণত প্রজনন প্রক্রিয়াকে নারীর সঙ্গে যুক্ত করে দেখা হতো। নারী গর্ভধারণে অক্ষম হলে, তার অনুর্বর প্রজনন ক্ষমতাকে এর জন্য দায়ী করতো। কিন্তু আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে পুরুষ প্রজননকেও সমান গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে। কোনো নারী গর্ভধারণে সক্ষম না-হলে তার পুরুষ সঙ্গীর বন্ধ্যাত্বও এর জন্য দায়ী হতে পারে। স্বামী-স্ত্রীর শুক্রাণুর মিলন ঘটলে তবেই সন্তানধারণ সম্ভব হয়। এর জন্য পুরুষ শুক্রাণুর পর্যাপ্ত গতিশীলতা বা মটিলিটি (Sperm Motility) জরুরি।
তবে এক্ষেত্রে একটু যত্নশীল হলে এই সমস্যা এড়ানো সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরুষের জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন এনে প্রজনন স্বাস্থ্য ভালো রাখা যায়। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক এক্ষেত্রে পুরুষের করণীয় কী কী-
প্রথমেই পুরুষের প্রজনন স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। বজায় রাখতে হবে স্বাস্থ্যকর ওজন। কারণ এক্ষেত্রে ওজন অনেক কম কিংবা বেশি হলে তা ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ এই দুই সমস্যাই হরমোন উৎপাদন এবং শুক্রাণুর স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাসও থাকতে হবে।
স্ট্রেস তো আর বলে-কয়ে আসে না। এটি নানা চাপ বা পরিস্থিতির কারণে তৈরি হতে পারে। তবে তা দূর করার উপায়ও জানতে হবে। কারণ স্ট্রেস চলতে থাকলে একটা সময় তা শরীর ও মনের জন্য বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। বিশেষ করে এটি প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ স্ট্রেসের ফলে শুক্রাণু তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় হরমোনগুলোর ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। তাই স্ট্রেস দূর করার জন্য সহায়ক কাজগুলো বেছে নিন।
ধূমপান কিংবা অ্যালকোহল কোনোটিই স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী নয়। বরং এগুলো নানাভাবে শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এগুলো ত্যাগ না করলে তা শুক্রাণুর সংখ্যা এবং গতিশীলতা হ্রাস করতে পারে। তাই এ ধরনের অভ্যাস থাকলে তা যত দ্রুত সম্ভব বাদ দিতে হবে।
অত্যধিক তাপ শুক্রাণু উৎপাদনকে কমিয়ে দিতে পারে। তাই এ ধরনের সমস্যা এড়াতে অতিরিক্ত তাপ সৃষ্টি করে এমন সব জিনিস এড়িয়ে চলুন। অনেকেরই কোলে ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করার অভ্যাস আছে। কিন্তু, এমনটা একেবারেই করা যাবে না। এছাড়া আঁটসাঁট অন্তর্বাস এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এ ধরনের অন্তর্বাস অণ্ডকোষের তাপমাত্রা বাড়াতে পারে।
এস