দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আমরা সবাই একটু শান্তিতে ঘুমাতে চাই। কিন্তু এর সবচেয়ে বড় শত্রু মশা। ঘুমাতে গেলে এর কামড়ে অতিষ্ঠ হয়ে যেতে হয়। আর এই সমস্যা থেকে বাঁচতে অনেকেই মশার কয়েল জ্বালিয়ে থাকেন। কিন্তু অনেকের কয়েলে এলার্জি থাকার কারণে শ্বাসকষ্ট ও ত্বকে জ্বালাপোড়া ভাব দেখা দেয়। তাই মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে বেশিরভাগ বাড়িতেই ইলেকট্রিক লিকুইড ভেপোরাইজার মেশিন ব্যবহার করা হয়। অনেকেই অল আউট বা গুড নাইটের মতো মশা তাড়ানোর মেশিন ব্যবহার করেন।
এই মেশিনগুলোর সাহায্যে আপনি মশাদের কামড় থেকে বেঁচে শান্তিতে ঘুমাতে পারবেন। তবে অনেকে আবার এই মেশিন সারা রাত চালানোর ফলে কতটা বিদ্যুৎ খরচ হবে সেটা নিয়েও ভাবেন।
সাধারণত, এই মেশিন কতোটা বিদ্যুৎ খরচ করে তা নির্ভর করে ব্যবহারকারী কীভাবে ব্যবহার করেন তার ওপর। তবে বেশিরভাগ মশা তাড়ানোর মেশিন এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে ন্যূনতম বিদ্যুৎ খরচ হয়। সাধারণত মশা মারার যন্ত্র ৫ থেকে ৭ ওয়াট শক্তি খরচ করে।
অর্থাৎ, এটি একটি নাইট বাল্বের মতো একই পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ করে। তবে এলইডি চালু হওয়ার পর এখন নাইট বাল্ব আগের তুলনায় কম ওয়াটের হয়।
যদি পুরো মাসের হিসাব করা হয় তাহলে মশা মারার মেশিন খুব কম বিদ্যুৎ খরচ করে। এই মেশিন প্রায় ১০ ঘণ্টা একটানা ব্যবহার করলে হাফ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়।
মশা মারার মেশিন হিটারের মতো কাজ করে। এতে যে তরল থাকে সেটিই মশাদের তাড়ায়। এই মেশিন এবং তরলের মধ্যে একটি লাইনার কাজ করে। মেশিনের সেই লাইনার উত্তপ্ত হয়ে রিফিলে থাকা তরল পুরো ঘরে ছড়িয়ে দেয়।
এস