দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অনেকেই মনে করেন ঘুমের সঙ্গে ওজনের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আবার বেশি ঘুমালে ওজন বাড়ে এমন কথাও শোনা যায়। বিশেষ করে দুপুরের ঘুম স্বাস্থ্যকর নয় এবং এটি মোটা হওয়ার প্রবণতা বাড়ায়। কেউ কেউ আবার বলেন, শরীরে মেদ বেশি হলে ঘুমও বেশি পায়। কিন্তু এগুলো কি আসলেই সত্যি? কী বলছে গবেষণা?
সম্প্রতি ঘুম ও মেদের সম্পর্ক নিয়ে একটি গবেষণা চালিয়েছে ব্রিটেনের ইউনিভার্সিটি অব লিডিস। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৮০ সালের তুলনায় বর্তমানে ওবেসিটি বা স্থূলত্বের শিকার, মানুষের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ। যার ফলে টাইপ টু ডায়াবেটিসের মতো সমস্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে।
গবেষণা ১৬১৫ জন পূর্ণবয়স্ক মানুষের ওপর চালানো হয়েছিল। সেখানে তাদের খাবারের তালিকা এবং গড় ঘুমের সময় ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে দেখা হয়েছে। যার ফল প্রকাশ হয় ‘প্লাস ওয়ান’ নামক জার্নালে। আর তাতে জানানো হয়েছে চমকপ্রদ সব তথ্য।
গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রচলিত ধারণা সঠিক নয়। বরং কম ঘুম শরীরের বাড়তি মেদ জমার কারণ হতে পারে। যার ফলে ওজন বৃদ্ধি পায়। এতে আরো বলা হয়েছে, যারা দিনে গড়ে ছয় ঘণ্টা ঘুমান তাদের কোমরের মাপ প্রতি দিন নয় ঘণ্টা ঘুমানো মানুষের তুলনায় তিন সেন্টিমিটার বেশি।
গবেষণায় আরও উল্লেখ করা হয় যে, পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ার ফলে বাড়ে ডায়াবেটিসের মতো অসুখও।
গবেষকরা বলছেন, প্রত্যেকের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ওপরে নির্ভর করে তার কতটুকু ঘুম প্রয়োজন। তবে সাধারণত একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির জন্য দিনে সাত থেকে নয় ঘণ্টা আরামদায়ক ঘুম প্রয়োজন। নয়তো বাড়তে থাকে ওজন বৃদ্ধির ভয়। তাহলে বুঝতেই পারছেন, শরীরে বাড়তি মেদের জন্য ঘুমকে দায়ী করা যাবে না। তবে ঘুম হতে হবে পর্যাপ্ত।
এস