দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে কারফিউ দিয়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যার উসকানি দেওয়ার অভিযোগসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
শুনানিতে প্রথমে প্রসিকিউশন পক্ষ তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করবে। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বক্তব্য রাখবেন। এ মামলায় সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের পক্ষে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন করা হয়েছে। গত ১০ ডিসেম্বর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী এ আবেদন করেন।
সে সময় চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের ক্ষেত্রে আগে বার কাউন্সিলের অনুমতি নিতে হবে, এরপর ট্রাইব্যুনালের অনুমতি প্রয়োজন। এ বক্তব্যের বিরোধিতা করে আসামিপক্ষ জানায়, আইন অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের অনুমতির পর বার কাউন্সিলের অনুমোদন নেওয়ার বিধান রয়েছে। এ বিষয়ে আদালত আদেশ পরে দেবেন বলে জানান। তবে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করা হয়।
এর আগে ৪ ডিসেম্বর সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। পরে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নেন। প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের মধ্যে একাধিক ফোনালাপ হয়। ওই কথোপকথনে কারফিউ চলাকালে আন্দোলনকারীদের শেষ করে দেওয়ার কথা বলা হয়। এর পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। এসব বক্তব্য হত্যাকাণ্ডে সরাসরি উসকানি হিসেবে কাজ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট পালানোর চেষ্টা করার সময় সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক গ্রেপ্তার হন। এরপর থেকে হত্যাসহ একাধিক মামলায় তারা কারাগারে রয়েছেন।
এমএস/