দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেছেন, বিদেশে থাকা দুই অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টের প্ররোচনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে রিমান্ড শুনানিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক মুনিরুজ্জামান আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আনিস আলমগীর আদালতে বলেন, তিনি একজন সাংবাদিক এবং বিগত দুই দশক বিভিন্ন সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধে গিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করেছি, তালেবানরা আমাকে আটক করেছিল, কিন্তু আমি বেঁচে ফিরেছি। মৃত্যুকে আমি আর ভয় করি না।’
গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে যে বক্তব্য এসেছে তা মূলত একটি প্রেক্ষাপটে বলা। তবে বিদেশে থাকা দুই ইউটিউবার বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে, যারা বিশেষ রাজনৈতিক দল ও প্রধান উপদেষ্টাকে প্রভাবিত করেছে। সেই প্ররোচনায় তার গ্রেপ্তার হয়েছে।
এর আগে রোববার (১৪ ডিসেম্বর) ধানমন্ডির একটি জিম থেকে আনিস আলমগীরকে ডিবি হেফাজতে নেয়া হয়। একই রাতে তিনি, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ চারজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় দেশকে অস্থিতিশীল ও অবকাঠামো ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। এছাড়া আসামিরা সোশ্যাল মিডিয়া ও টেলিভিশনের টকশোতে নিষিদ্ধ সংগঠনকে ফিরিয়ে আনার প্রচারণা চালাচ্ছিল।
এমএস/