দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

হত্যা মামলায় আনা অভিযোগে গ্রেপ্তার সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলামকে আট দিনের রিমান্ডে দিয়েছেন আদালত। আন্দোলনে রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তার রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
সাবেক এ মন্ত্রীকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আরিফ।
রিমান্ড শুনানির সময় সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম আদালতে বলেছেন, ‘এই দিন দিন নয়, আরও দিন আছে। সব দিন তো একরকম যায় না। সামনে ভালো দিন আসবে।’
মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে তিনি এ কথা বলেন।
হত্যা মামলায় আনা অভিযোগের বিষয়ে আদালতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে তিনি বলেন, ঘটনার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।
সাবেক এ মন্ত্রীকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আরিফ। আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদন করেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা মামলায় কামরুল ইসলামের ভূমিকা তুলে ধরেন।
একপর্যায়ে কামরুল ইসলাম আদালতের অনুমতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘নিউমার্কেট এলাকা আমার অধীনে নয়। ওই এলাকার এমপি আমি নিজেও না। এ মামলায় আমাকে ৫৬ নম্বর আসামি করা হয়েছে। আমার নামটি হয়তো শেষ মুহূর্তে ভুলে এজাহারে লিখে দেওয়া হয়েছে। ’
তিনি আরও বলেন, ‘ছাত্রদের আন্দোলনের বিরুদ্ধে আমি কোনো ভূমিকায় অংশ নিইনি। আমাকে মিথ্যাভাবে মামলায় আসামি করা হয়েছে।’
এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা হইচই শুরু করেন। আদালতে উৎসুক কিছু আইনজীবী কামরুল ইসলামকে উদ্দেশ করে গালিগালাজ করেন। ওই সময় কামরুল ইসলাম বলেন, ‘এই দিন দিন নয়, আরও দিন আছে। সব দিন তো এক রকম যায় না। সামনে ভালো দিন আসবে। তখন আদালতে উপস্থিত উৎসুক আইনজীবীরা আরও ক্ষিপ্ত হন। পরে আদালত কামরুল ইসলামের আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে সোমবার রাতে রাজধানীর উত্তরা-১২ নম্বর সেক্টর থেকে কামরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। ২০০৮ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ থেকে তিনি খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
এফএইচ