দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যা মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত সিয়াম হোসেনকে ১৩ দিনের বিভাগীয় হেফাজতে নেয়ার (জেল হেফাজত) নির্দেশ দিয়েছে ভারতের আদালত। ১৪ দিনের সিআইডি রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে তোলা হলে ফের ১৩ দিনের হেফাজনে নেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
শনিবার (২২ জুন) দুপুরে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত জেলা ও দায়রা আদালতে আনা হয় অভিযুক্ত সিয়ামকে।
এক আবেদনের শুনানি শেষে আগামী ১৩ দিনের জন্য সিয়ামকে জেল হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ দেন আদালত। সে ক্ষেত্রে আগামী ৫ জুলাই ফের তাকে আদালতে তোলা হবে। ওই একই দিনে হত্যাকাণ্ডে আরেক অভিযুক্ত জিহাদকেও আদালতে তোলা হবে।
গত ৭ জুন বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে সিয়ামকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৬৪ (হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ), ৩০২ (অপরাধমূলক নরহত্যা।), ২০১ (তথ্য প্রমাণ লোপাট) এবং ৩৪ (সংঘবদ্ধ ভাবে অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করা) সহ একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দেওয়া হয়।
সিয়ামের বাড়ি বাংলাদেশের ভোলা জেলার বুরহাদ উদ্দিন গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিয়াম। তার পিতা আলাউদ্দিন বালি। ৩৩ বছর বয়সী সিয়াম জঘন্য ওই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে বনগাঁ এলাকায় আত্মগোপন করেছিল বলে জানা যায়। আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। যার মধ্যে অন্যতম সিয়াম হোসেন, অন্যজন জিহাদ হাওলাদার ওরফে কসাই জিহাদ।
উল্লেখ্য, গত ১৩ মে সঞ্জীবা গার্ডেনে এমপি আনারকে খুন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। মনে করা হচ্ছে সাংসদ খুন ও খণ্ড বিখণ্ড মরদেহ লোপাটের কাজে যুক্ত ছিল এই সিয়াম। নিউটাউনের অভিজাত ওই সঞ্জীভা গার্ডেনের যে সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আসে তাতেও সিয়ামকে দেখা যায়। এই ঘটনায় বাংলাদেশ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারকৃতদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেও এই সিয়ামের বিষয়টি সামনে আসে।
কে