দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চ্যাটজিপিটির মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। এআই সেবা নিয়ে যতটা আলোচনা দেখা যায়, তার তুলনায় এর ব্যবহার নগণ্য। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, চ্যাটবট প্রযুক্তিগুলো খুব কম মানুষই ব্যবহার করছে।
জানা গেছে, গবেষকেরা যুক্তরাজ্যসহ ৬টি দেশের ১২ হাজার ব্যবহারকারীর ওপর সমীক্ষা চালান। তাতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে মাত্র ২ শতাংশ মানুষ নিয়মিতভাবে এআই সফটওয়্যার বা টুল ব্যবহার করেন। গবেষণাটি রয়টার্স ইনস্টিটিউট ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে করেছে।
তারা বলছে, সার্বিক চিত্রের তুলনায় বয়সভিত্তিক ব্যবহার হারে পার্থক্য রয়েছে। ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সীরা এ প্রযুক্তি ব্যবহারে অন্যদের থেকে বেশি উৎসাহী।
এ গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন ড. রিচার্ড ফ্লেচার। তিনি বলেন, ‘এআই নিয়ে যে পরিমাণ আলোচনা ও হুজুগ দেখা যায়, তার সঙ্গে জনগণের আগ্রহের সার্বিক চিত্রের বেশ ফারাক রয়েছে। এতে জেনারেটিভ এআই নিয়ে মতামত সম্পর্কে জানারও চেষ্টা করা হয়েছে। অধিকাংশ মানুষই জেনারেটিভ এআই নিয়ে তেমন আগ্রহী নন। এমনকি যুক্তরাজ্যের ৩০ শতাংশ মানুষ চ্যাটজিপিটির মতো সুপরিচিত টুলের নামও শোনেননি।’
নতুন প্রজন্মের এআই পণ্যগুলো ইতিবাচক না নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে অবশ্য বিতর্ক চলছে। তবে অনেকেই আশা প্রকাশ করছেন যে, প্রযুক্তিটি ব্যবহার করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি থেকে শুরু করে জীবন রক্ষাকারী নতুন ওষুধের আবিষ্কার পর্যন্ত সম্ভব হবে। অন্যদিকে আরেকদল মানুষ এটিকে 'মানবজাতির জন্য হুমকিস্বরূপ' বলে আখ্যায়িত করেছেন।
এই গবেষণায় জেনারেটিভ এআই নিয়ে মানুষের ইতিবাচক ও নেতিবাচক ধারণার প্রবণতা ও এর কারণ উঠে এসেছে। ফ্লেচার বলছেন, খাত অনুযায়ী মানুষ জেনারেটিভ এআই নিয়ে ভিন্ন ধারণা পোষণ করেন। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া অধিকাংশ মানুষ বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্য খাতের জন্য জেনারেটিভ এআইয়ের বিষয়ে খুবই আশাবাদী।
আবার সংবাদ ও সাংবাদিকতায় এর ব্যবহারে খানিকটা শঙ্কিত। তবে সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন তার নিজেদের কর্মক্ষেত্রে এর প্রভাব নিয়ে। নিজেদের কাজের অনিশ্চয়তা নিয়ে উদ্বেগ বেশি।
গবেষণা সমীক্ষাটি অনলাইনে সম্পন্ন করা হয়। একটি অনলাইন প্রশ্নমালা দিয়ে অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে মতামত সংগ্রহ করা হয়। এ সমীক্ষায় অংশ নেন আর্জেন্টিনা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জাপান, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ।
এস