দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সম্প্রতি ব্যবহারকারীদের লাখ লাখ ডাটা মুছে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গুগল। যার মধ্যে ইউজারদের ইনকগনিটো মোডের (Incognito Mode) ডাটা রয়েছে। যা গুগল গোপনে ট্র্যাক করেছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।
এর আগে ২০২০ সালে এ বিষয়ে একটি মামলাও করা হয়েছে গুগলের পেরেন্ট কোম্পানি অ্যালফাবেটের বিরুদ্ধে। যদিও কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সেইসব ডাটা মুছে ফেলা হবে।
গুগলের ইনকগনিটো মোড ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য খুবই জনপ্রিয়। গ্রাহকরা গুগল ক্রোমের এই মোড ইন্টারনেট ব্রাউজিং তথ্য গোপন রাখতে ব্যবহার করেন। অর্থাৎ এটা ব্যবহার করলে একজন গ্রাহক ইন্টারনেটে কী করছে তার কোনো প্রমাণ থাকে না। এটি গুগল ক্রোম ব্রাউজারে থ্রি লাইন বাটন ক্লিক করে ব্যবহার করা যায়। আবার এই মোড বন্ধ করে দিলে ট্যাবগুলো অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যায়।
এ ছাড়া ইনকগনিটো মোডে থার্ড পার্টি কুকিজ সেভ হয় না। যা ব্যবহারকারীদের ডাটা ট্র্যাক করার জন্য রাখা হয়। কিন্তু, বর্তমানে ইনকগনিটো মোডের ডাটা সুরক্ষিত নেই বলে অনেকেই অভিযোগ তুলেছেন। যার কারণে ২০২০ সালে মামলাটি করা হয়।
টেক সংবাদ সংস্থা ম্যাকঅ্যাফির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইনকগনিটো মোড সম্পূর্ণ সুরক্ষিত নয়। ব্যবহারকারীদের ডিভাইস ব্যবহার করে সেই তথ্য দেখা না গেলেও বেশ কিছু এক্সটারনাল পার্টি সেগুলো অ্যাক্সেস করতে পারে।
ব্যবহারকারীরা কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করছে, সেটি তাদের যে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার রয়েছে সে জানতে পারবে। এমনকি ব্যবহারকারীদের আইপি অ্যাড্রেস ওয়েবসাইটগুলোর সঙ্গে ভাগ করতে পারে। এক্স এর (আগে ছিল টুইটার) মতো ওয়েবসাইটও তাদের ডাটা শেয়ার করতে পারে। এই ডাটা ট্র্যাকিং একমাত্র ভিপিএন দ্বারাই আটকানো যায়।
ব্যবহারকারীরা যদি কোনো স্কুল বা কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত নেটওয়ার্কে ইনকগনিটো মোড অ্যাক্সেস করেন, তাহলে সেই তথ্য তারা ট্র্যাক করতে পারবে। এই তথ্যগুলো ইন্টারনেটে ভুয়া খবর বন্ধে এবং বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে চাওয়া হতে পারে। তাই ইনকগনিটো মোড যে সম্পূর্ণ প্রাইভেট তা বলা যায় না।
এস