দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দু’দিন পরই আকাশে দেখা যাবে গভীর আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। ২৭ আগস্ট রাতে শুরু হয়ে সময়ভেদে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে এই মহাজাগতিক ঘটনা। এ সময় পৃথিবীর ছায়ায় চাঁদের প্রায় ৯৬ শতাংশ ঢেকে যাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার তথ্য অনুযায়ী, ২৮ আগস্ট সর্বোচ্চ পর্যায়ে চাঁদের ব্যাসের প্রায় ৯৩ শতাংশ পৃথিবীর গাঢ় কেন্দ্রীয় ছায়া বা আমব্রার মধ্যে থাকবে। সর্বোচ্চ গ্রহণ হবে গ্রিনিচ মান সময় ভোর ৪টা ১৩ মিনিটের দিকে।
এই চন্দ্রগ্রহণ পুরোপুরি দেখা যাবে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল থেকে। এ ছাড়া ইউরোপ ও আফ্রিকার বিভিন্ন অংশ থেকেও গ্রহণটি দেখা যাবে। পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কিছু জায়গা থেকেও এটি দৃশ্যমান হবে। তবে অঞ্চলভেদে চাঁদ ওঠা বা অস্ত যাওয়ার কারণে গ্রহণের পুরোটা দেখা নাও যেতে পারে।
এটি পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ নয়। চাঁদের একটি ছোট অংশ পৃথিবীর গাঢ় ছায়ার বাইরে থাকবে। ফলে গ্রহণের সময় চাঁদ পুরোপুরি অন্ধকার হয়ে যাবে না। বরং ছায়াচ্ছন্ন অংশে গাঢ় লালচে বা তামাটে আভা দেখা যেতে পারে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে সূর্যের আলো বিক্ষিপ্ত ও প্রতিসরিত হয়ে চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছানোর কারণেই এমন রঙ দেখা যায়।
চন্দ্রগ্রহণ দেখার জন্য বিশেষ কোনো চোখের সুরক্ষা প্রয়োজন নেই। খালি চোখেই এটি দেখা নিরাপদ। তবে দূরবীন বা ছোট টেলিস্কোপ ব্যবহার করলে পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর দিয়ে সরে যাওয়ার দৃশ্য আরও স্পষ্টভাবে দেখা যাবে। পরিষ্কার আকাশ ও বাধাহীন দিগন্ত থাকলে গ্রহণ দেখার সুযোগ সবচেয়ে ভালো হবে।
উল্লেখ্য, এর মাত্র দুই সপ্তাহ আগে ১২ আগস্ট একটি পূর্ণ সূর্যগ্রহণ হয়েছিল। সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদের নির্দিষ্ট অবস্থানগত বিন্যাসের কারণে একই সময়পর্বে সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ প্রায়ই কাছাকাছি সময়ে ঘটে।
/অ