দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিশ্বজুড়ে তেহরানের আর্থিক স্বার্থগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের জন্য নতুন এই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বেসেন্ট জানান, বিশ্বের কোনও দেশ ও কোম্পানিগুলো যেন তেহরানের সঙ্গে কোনও ধরনের ব্যবসা করতে না পারে, সেই লক্ষ্যে তেলসহ ইরানের আয়ের সমস্ত উৎসকে লক্ষ্যবস্তু করবে যুক্তরাষ্ট্র। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো তেহরান সম্পূর্ণ একঘরে না হওয়া পর্যন্ত এই স্বৈরাচারী শাসনকে টিকিয়ে রাখা প্রতিটি অর্থনৈতিক লাইফলাইন ছিন্ন করা।’
ইরানের কাছ থেকে তেল কেনা ও দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ করার বিষয়ে ‘সহযোগীদের’ সতর্ক করেছেন বেসেন্ট। তিনি বলেন, বিশ্বের সব দেশকে অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যেকোনও একটিকে বেছে নিতে হবে। নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় তেহরানের বাণিজ্য অংশীদাররা ‘সেকেন্ডারি পেনাল্টি’ বা পরোক্ষ শাস্তির সম্মুখীন হতে পারে বলেও জোর দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, যদি কোনও দেশ বা সত্তা ‘লেনদেনে সহায়তা করে এবং এমন কোনো ইকোসিস্টেমের অংশ হয় যা ইরানের তেলকে অর্থে এবং সেই অর্থকে নিপীড়নের হাতিয়ারে রূপান্তর করে, তবে তাদেরকেও লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
বেসেন্ট জানান, বিশ্বনেতাদের ফোন করে ‘ইরানের সরকারের সঙ্গে তাদের সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করার অনুরোধ জানাচ্ছেন’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি বলেন, ‘যারা যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়াবে, তারা আমাদের অংশীদারত্বের সুফল ভোগ করবে। আর যারা নিজেদেরকে ইরান সরকারের সঙ্গে যুক্ত রাখবে, তাদেরও একঘরে দশার ভাগীদার হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত।’
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন এই নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ‘ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি লাইফলাইনকে’ টার্গেট করা হয়েছে। সেগুলো হলো–ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, স্বর্ণ, বিমান চলাচল এবং নৌপরিবহন।
কেএম