দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইউক্রেনে নতুন করে রুশ হামলায় অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। এদিকে এক দিন আগে ক্রিভি রিহ শহরের একটি বিপণিবিতানে রুশ বাহিনীর দুই দফা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো সেখানে দুই শিশুসহ ৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
শনিবার ভোরে ইউক্রেনের স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, কিয়েভে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতার মধ্যে একটি গুদামে আগুন লাগলে একজন নিহত হন। অন্যদিকে দক্ষিণাঞ্চলীয় জাপোরিঝঝিয়া শহরে রুশ ড্রোন হামলায় একজন নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার ক্রিভি রিহ শহরের ব্যস্ত একটি বিপণিবিতানে দুই দফা ড্রোন হামলা চালায় রাশিয়া। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, তার নিজ শহরে দিনের বেলায় চালানো এই হামলা ছিল ‘চরম নিন্দনীয় ও জঘন্য’। প্রথম হামলার পর জরুরি উদ্ধারকর্মীদের লক্ষ্য করে দ্বিতীয় দফায় হামলা চালানো হয় বলেও জানান তিনি।
বিবিসি যাচাই করা ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রথম হামলায় বিপণিবিতানটিতে আগুন লাগার পর দ্বিতীয় একটি ড্রোন সেখানে আঘাত হানে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন ২৩ শিশুসহ আরও ১৩০ জন।
দ্নিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের প্রধান ওলেক্সান্দর হানঝা শনিবার জানান, ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও একটি মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের সংখ্যা ১৬ জনে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, বিপণিবিতানটিতে এখনো দুই শিশুসহ ৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আহত ১৩০ জনের মধ্যে ২৯ জনের অবস্থা গুরুতর বলে শুক্রবার জানিয়েছিলেন হানঝা। নিখোঁজদের সন্ধান ও জীবিতদের উদ্ধারে ইউক্রেনের আরও চার অঞ্চল থেকে উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হচ্ছে।
এদিকে শুক্রবার ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিকোলাইভ অঞ্চলে পৃথক রুশ হামলায় তিন শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছেন। উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভ অঞ্চলেও হামলায় নিহত হয়েছেন আরও দুজন।
এর আগের দিন বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে বড় ধরনের রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ১৭ জন নিহত এবং ৪০ জনের বেশি আহত হন।
অন্যদিকে শুক্রবার ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা রাশিয়ার অভ্যন্তরে একটি তেল শোধনাগার ও একটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেন। কিয়েভের দাবি, এসব স্থাপনা রাশিয়ার যুদ্ধ পরিচালনায় অর্থায়নে সহায়তা করে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। বর্তমানে দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ভূখণ্ড মস্কোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
/অ