দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পশ্চিম আফ্রিকার নাইজেরিয়ায় ভয়াবহ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই শিশু। এই দুর্ঘটনার ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও এখনো ১৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্গম এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটায় উদ্ধার অভিযানও কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সোকোটো প্রদেশে ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে ৭০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ। তাদের বেশিরভাগই শিশু। দুর্ঘটনার পর থেকে নিখোঁজদের উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান চলছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) পুলিশের মুখপাত্র আহমাদ রুফাই জানান, গোরোনি এলাকার গোরাউয়ের কাছে এখন পর্যন্ত ৪৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ১৫ জন।
রুফাই বলেন, দুর্ঘটনাস্থলটি দুর্গম এলাকায় হওয়ায় সেখানে পৌঁছানো কঠিন। নিরাপত্তা বাহিনী ও জরুরি সেবার কর্মীরা ঘটনাস্থলের দিকে যাচ্ছেন।
রয়টার্সকে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ধান কাটার কাজে যাওয়া কৃষিজমির মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে শিশুরাও যাচ্ছিল বলে তিনি ধারণা করছেন।
ওই প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, তারা প্রায় ৫০টি লাশ দেখতে পেয়েছেন। অনেক লাশ মাদুর ও ঐতিহ্যবাহী কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় স্থানীয় একটি মসজিদের সামনে রাখা হয়েছিল। পরে সেগুলো দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
নাইজেরিয়ার জাতীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থার (নেমা) মুখপাত্র ইজেকিয়েল মানজো বিবিসিকে বলেন, ‘গোরাউ খুবই দুর্গম এলাকা। আমাদের দল সেই দুর্গম জায়গাটিতে পৌঁছেছে।’
নাইজেরিয়ায় অবশ্য নৌকাডুবির ঘটনা প্রায়ই ঘটে। অতিরিক্ত যাত্রী বহন, নৌযানের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং নিরাপত্তা বিধি কার্যকরে দুর্বলতার কারণে এসব দুর্ঘটনায় প্রাণহানি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। গত মাসে জিগাওয়া প্রদেশে নৌকা উল্টে অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়।
সূত্র: বিবিসি
কেএম