দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সংযুক্ত আরব আমিরাতে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ওই দুটি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তেহরান এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
মঙ্গলবার আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে। পরে মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়নে বলা হয়, ক্ষেপণাস্ত্র দুটি সমুদ্রপথে চলাচলকারী জাহাজকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। দুটিই সমুদ্রে পড়ে যায়।
মন্ত্রণালয় জানায়, একটি ক্ষেপণাস্ত্র আমিরাতের জলসীমার বাইরে এবং অন্যটি জলসীমার ভেতরে পড়ে। এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনার পর বুধবার ইরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম, বাণিজ্যিক লেনদেন ও আর্থিক লেনদেন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে আমিরাত। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলা উত্তেজনার কথা উল্লেখ করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই আমিরাতের অভিযোগ অস্বীকার করে একে ‘ভিত্তিহীন’ বলে মন্তব্য করেছেন।
মিসাইল শনাক্তের পর আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশটির বাসিন্দাদের মোবাইলে সতর্কবার্তা পাঠায়। পরে পরিস্থিতি নিরাপদ জানিয়ে সবাইকে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
গত ৪ মে ফুজাইরাহ বন্দরে হামলার পর আমিরাতে এ ধরনের প্রথম ঘটনা বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। একই সময়ে হরমুজ প্রণালিতে চলাচল ব্যাহত হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
এর আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের সময় আমিরাতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির জাহাজে হামলার জন্যও ইরানকে দায়ী করেছিল আবুধাবি। তবে ওই হামলার দায় স্বীকার করেনি তেহরান।
/অ