দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মুসলিম বিশ্বের ঐক্য এগিয়ে নিতে ইরান, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিসর ও ইন্দোনেশিয়ার মতো প্রভাবশালী মুসলিম দেশগুলোর বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই।
বুধবার তেহরানে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। ইরানের সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।
বৈঠকে রেজাই পাকিস্তান সরকার, দেশটির সশস্ত্র বাহিনী ও জনগণকে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বড় সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করেন। আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের ক্রমবর্ধমান ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেন উল্লেখ করে রেজাই বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য কয়েক গুণ বাড়ানো উচিত।
তিনি বলেন, ইরান ও পাকিস্তানের সম্পর্ক গভীর আন্তরিকতা ও অভিন্ন বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত। দুই দেশের নেতারা দীর্ঘদিন ধরে একে অপরকে কৌশলগত গভীরতার অংশ হিসেবে বিবেচনা করে আসছেন।
ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনার প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসকান্দার মোমেনির প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ জানান।
ইরান ও পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে ‘ব্যতিক্রমী সংহতি’রও প্রশংসা করেন নাকভি। দুই দেশের জনগণের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে আরও গভীর সহযোগিতা ও বাস্তব ফলাফলে রূপ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
নাকভি বলেন, অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে দুই দেশের মধ্যে আরও বেশি যোগাযোগ ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টা প্রয়োজন। দুই দেশের নেতা ও কর্মকর্তাদের দৃঢ় সংকল্প অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়ক হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মঙ্গলবার সরকারি সফরে তেহরানে পৌঁছান পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সফরে তিনি ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
/অ