দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গ্রিসের দক্ষিণাঞ্চলীয় ক্রিট দ্বীপের উপকূলের কাছে অন্তত ২০২ অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের অধিকাংশই সুদান ও বাংলাদেশের নাগরিক। তাদের মধ্যে কয়েকজন মিসরের নাগরিকও রয়েছেন।
গ্রিক কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার জানায়, ক্রিটের দক্ষিণাঞ্চলে অবৈধভাবে অভিবাসীদের আগমন অব্যাহত রয়েছে। লিবিয়ার উপকূল থেকে পরপর কয়েকটি নৌযানে করে ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ে অন্তত ২০২ অভিবাসী দ্বীপটিতে পৌঁছেছেন। এতে ক্রিটের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও অভ্যর্থনা কেন্দ্রগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে।
গ্রিক সংবাদপত্র দিমোক্রাতিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে ইয়েরাপেত্রার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ৪০ অভিবাসীকে বহনকারী একটি নৌযান শনাক্ত করে ইউরোপীয় সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থার একটি উড়োজাহাজ। পরে উপকূলরক্ষী বাহিনীর একটি টহল নৌযান এবং একটি মাছ ধরার নৌকা তাদের উদ্ধার করে ইয়েরাপেত্রা বন্দরে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের নিবন্ধন ও পরিচয় যাচাই শুরু হয়।
এর কয়েক ঘণ্টা আগে আরও দুটি নৌযান থেকে ১১২ অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়। প্রথম নৌযানে ছিলেন ৫৬ জন—এর মধ্যে ৩১ জন সুদানের এবং ২৫ জন বাংলাদেশের নাগরিক। দ্বিতীয় নৌযানে ছিলেন আরও ৫৬ জন। তাদের মধ্যে ৪৭ জন বাংলাদেশি এবং ৯ জন মিসরের নাগরিক।
উদ্ধার হওয়া সবাইকে হেরাক্লিয়ন বন্দরের অস্থায়ী আবাসনকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। ক্রিটে অভিবাসী আগমন বেড়ে যাওয়ায় কেন্দ্রটি এখনো তাদের সাময়িকভাবে রাখার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।
এদিকে, পৃথক এক অভিযানে দক্ষিণ-পূর্ব ইয়েরাপেত্রা থেকে ২৮ দশমিক ৫ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে ৫০ অভিবাসী উদ্ধারের ঘটনায় দক্ষিণ সুদানের নাগরিক ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে গ্রিক কর্তৃপক্ষ। তার বিরুদ্ধে মানবপাচারে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
অভিবাসীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই কিশোর লিবিয়ার তোব্রুক শহর থেকে গ্রিসের উদ্দেশে যাত্রার সময় নৌযানটি চালিয়েছিল বলে অভিযোগ। এ জন্য প্রতি অভিবাসীর কাছ থেকে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত নেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
/অ