দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইতালি ও এসি মিলানের কিংবদন্তি ডিফেন্ডার ফ্রাঙ্কো বারেসি মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর।
এক বিবৃতিতে এসি মিলান জানিয়েছে, ‘ফ্রাঙ্কো বারেসির মৃত্যুতে পুরো মিলান পরিবার শোকাহত। তার আদর্শ, সততা ও নেতৃত্ব চিরকাল ক্লাবের ডিএনএর অংশ হয়ে থাকবে।’
১৯৭৭ সালে এসি মিলানের মূল দলে অভিষেকের পর ১৯৯৭ সালে অবসর নেওয়া পর্যন্ত পুরো ২০ বছরের ক্যারিয়ার একই ক্লাবে কাটান বারেসি। এ সময়ে তিনি ছয়টি সিরি ‘আ’ শিরোপা এবং তিনটি ইউরোপিয়ান কাপ/উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতেন।
ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার হিসেবে বিবেচিত বারেসি ১৫ মৌসুম এসি মিলানের অধিনায়ক ছিলেন। ক্লাবটির হয়ে ৭১৯ ম্যাচে ৩৩টি গোল করেন তিনি। অবসরের পর তার সম্মানে ৬ নম্বর জার্সিটি অবসর ঘোষণা করে এসি মিলান। ২০২০ সালে তাকে ক্লাবটির সম্মানসূচক সভাপতি করা হয়।
ইতালির হয়ে ৮১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন বারেসি। ১৯৮২ সালে বিশ্বকাপজয়ী ইতালি দলের সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯৪ বিশ্বকাপেও ইতালিকে অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন। হাঁটুর চোট কাটিয়ে ফাইনালে খেললেও টাইব্রেকারে প্রথম শটটি মিস করেন তিনি। পরে ব্রাজিল ৩-২ ব্যবধানে জয় নিয়ে শিরোপা জেতে।
এসি মিলানের ইতিহাসের অন্যতম সেরা রক্ষণভাগে পাওলো মালদিনি, আলেসান্দ্রো কস্তাকুর্তা ও মাউরো তাসোত্তির সঙ্গে খেলেছিলেন বারেসি। ক্লাবটির হয়ে তিনি চারটি ইতালিয়ান সুপার কাপ, দুটি ইউরোপিয়ান সুপার কাপ এবং দুটি ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপও জেতেন।
২০২৫ সালের আগস্টে ফুসফুসের একটি নডিউল অপসারণে অস্ত্রোপচার করানো হয়েছিল বারেসির। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মিলানের সান সিরো স্টেডিয়ামে শীতকালীন অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিল তার সর্বশেষ জনসমক্ষে উপস্থিতি।
সাবেক সতীর্থ পাওলো মালদিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘আজও মনে হচ্ছে, অধিনায়ককে ছাড়া কীভাবে খেলব? তুমি আমাকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করতে শিখিয়েছ। তুমি ছিলে আমার দেখা সেরা ফুটবলার।’
ইতালির সাবেক গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি বুফন, ইন্টার মিলান এবং দেশটির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি-সহ অসংখ্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বারেসির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে।
সূত্র: বিবিসি
এমএস/