দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জাপানের কুমামোতো অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প এবং পরবর্তী সন্দেহভাজন গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০ জনে পৌঁছেছে। ধসে পড়া একটি শপিংমলের ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে বৃহস্পতিবারও তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সর্বশেষ হতাহতের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানার প্রায় ৫০ মিনিট পর কুমামোতোর এইওন শপিংমলে একটি ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লিক থেকেই এ বিস্ফোরণের সূত্রপাত।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে ১০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে, একজনকে প্রাণচিহ্নহীন অবস্থায় পাওয়া গেছে এবং আহত পাঁচজনের অবস্থা সামান্য থেকে গুরুতর।
ভূমিকম্পে বহু বাড়িঘর ধসে পড়েছে, সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে হাজার হাজার মানুষ বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানি ছাড়াই দুর্ভোগে পড়েছেন। এদিকে সপ্তাহান্তে তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর শপিংমলটি খালি করা হলেও বিস্ফোরণের সময় কয়েকজন কর্মী ভেতরে থেকে গিয়েছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে ধ্বংসস্তূপে জীবিত কাউকে খুঁজে পাওয়ার আশায় উদ্ধারকারীরা এখনও তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে ইয়াতসুশিরো শহরে নিপ্পন পেপার ইন্ডাস্ট্রিজের একটি কারখানায় চিমনির অংশ ধসে পাঁচ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আরও চারজন নিখোঁজ রয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় হাজারো মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। বিদ্যুৎ না থাকায় তীব্র গরমে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত প্রায় ২২ হাজার ৬৭০টি পরিবার ও স্থাপনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। এছাড়া প্রায় ৮৪ হাজার বাড়িতে পানির সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র সরবরাহ করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জ্বালানি ও বিশুদ্ধ পানির জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। দেশটিতে প্রতি বছর শত শত ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
সূত্র:টিআরটি ওয়ার্ল্ড
যে আই