দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ফিফা বিশ্বকাপে নরওয়ের ঐতিহাসিক সাফল্যের আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছে দেশের সামরিক বাহিনীতেও। জাতীয় দলের অসাধারণ পারফরম্যান্স উদ্যাপন করতে নরওয়ের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা ঐতিহ্যবাহী ‘ভাইকিং রো’ পরিবেশন করেছেন। সামরিক পোশাকে তাদের এই সমন্বিত উদ্যাপনের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এবং ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, সবুজ পাহাড়ি ঢালে সেনাসদস্যরা একসঙ্গে বৈঠা চালানোর ভঙ্গি করছেন। নৌবাহিনীর সদস্যরা যুদ্ধজাহাজে একই ছন্দে অংশ নিচ্ছেন। অন্যদিকে বিমানবাহিনীর সদস্যরাও সামরিক বিমান ও বিভিন্ন ঘাঁটিতে এই উদ্যাপনে শামিল হয়েছেন। ছদ্মবেশী সামরিক পোশাক পরা সদস্যরা প্রাচীন ভাইকিংদের দীর্ঘ নৌযানে বৈঠা চালানোর প্রতীকী ভঙ্গি করেন এবং একসঙ্গে স্লোগান দেন।
এই ‘ভাইকিং রো’ এখন নরওয়েজিয়ানদের জাতীয় উদ্যাপনের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। এটি দেশটির ঐক্য, দলীয় চেতনা, সাহস এবং ভাইকিং ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীর সাংস্কৃতিক সংযোগের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই একে জাতীয় গর্ব ও ঐক্যের শক্তিশালী প্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন।
নরওয়ের এই উদ্যাপনের পেছনে রয়েছে বিশ্বকাপের অন্যতম বড় অঘটন। শেষ ষোলোতে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটি।
এই জয়ের পর পুরো নরওয়াজুড়ে শুরু হয় উৎসব। সমর্থকেরা রাস্তাঘাট ও জনসমাগমস্থলে নেমে দলের ঐতিহাসিক সাফল্য উদ্যাপন করেন। অনেক বিশ্লেষক এই জয়কে নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা মুহূর্ত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
‘ভাইকিং রো’-তে খেলোয়াড় ও সমর্থকেরা একসঙ্গে বসে বা নিচু হয়ে প্রাচীন ভাইকিং জাহাজে বৈঠা চালানোর মতো ছন্দময় ভঙ্গি করেন। ঢাকের তালে তালে এই উদ্যাপন ঐক্য, শক্তি এবং সম্মিলিত লড়াইয়ের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।
কেএম