দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ফ্রান্সের পূর্বাঞ্চলের তোমব্লেন শহরে স্কাইডাইভার বহনকারী একটি বেসামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পাইলটসহ ১১ জন নিহত হয়েছেন।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে পাঁচজন শিক্ষার্থী ও পাঁচজন প্রশিক্ষক রয়েছেন। বিমানটি একটি প্যারাশুট প্রশিক্ষণ বিদ্যালয়ের ছিল এবং ন্যান্সি-এসে বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।
দুর্ঘটনার পর মেউর্ত-এ-মোজেল বিভাগের বিমানবন্দরসংলগ্ন এলাকা এড়িয়ে চলার জন্য সাধারণ মানুষকে সতর্ক করেছে পুলিশ।
ফ্রান্সের পরিবহনমন্ত্রী ফিলিপ তাবারো এই ঘটনাকে ‘ভয়াবহ ট্র্যাজেডি’ আখ্যা দিয়ে জানান, তিনি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন।
স্থানীয় প্রশাসনের প্রধান ইভ সেগুই জানান, দুর্ঘটনায় আশপাশের কোনো ব্যক্তি হতাহত হননি। জনবসতিপূর্ণ একটি এলাকার পাশে এবং একটি শপিং সেন্টারের কাছে বিমানটি প্রায় খাড়াভাবে মাটিতে আছড়ে পড়ে। এতে বড় ধরনের আরেকটি দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
স্থানীয় নার্সদের সংগঠনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিহত স্কাইডাইভারদের অর্ধেকই পেশায় নার্স ছিলেন।
কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, পাঁচ শিক্ষার্থীর জন্য এটি ছিল জীবনের প্রথম স্কাইডাইভিং অভিজ্ঞতা। তাদের লাফ দেওয়া দেখতে স্বজনরাও বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।
এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, তিনি সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় বিমানটিকে ডান দিকে হেলে যেতে দেখেন। তার কাছে তখনই মনে হয়েছিল, বিমানে কোনো সমস্যা হয়েছে। পরে দুর্ঘটনার শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে তিনি বলেন, আঘাত এতটাই ভয়াবহ ছিল যে ঘটনাস্থলেই সবার মৃত্যু হয়েছে বলে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল।
দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে বিশেষজ্ঞদের একটি দল ঘটনাস্থলে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
সূত্র: বিবিসি
/অ