দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আল থানি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান আলোচনায় সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দুই পক্ষের সদিচ্ছা থাকলেও বাহ্যিক পরিস্থিতি আলোচনার অগ্রগতিকে প্রভাবিত করতে পারে।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, কারণ সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কিছু বাহ্যিক পরিস্থিতি আলোচনায় প্রভাব ফেলতে পারে।
তিনি জানান, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারক (মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং) যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছে এবং আলোচনার ভিত্তি তৈরি করেছে।
তার ভাষায়, এই সমঝোতা কাতারের অংশীদারদের সঙ্গে পাকিস্তানের সহযোগিতায় এবং আঞ্চলিক সমর্থনের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে।
কাতার প্রধানমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো যুদ্ধ বন্ধ করা এবং দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার একটি কাঠামো তৈরি করা। এর মাধ্যমে নিয়মিত বৈঠকের বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে, যাতে বকেয়া ইস্যুগুলো সমাধান করা যায়।
তিনি আরও জানান, সুইজারল্যান্ডের বার্গেনস্টক অঞ্চলে লেক লুসার্ন সামিটে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ আলোচনায় যে কাঠামো উপস্থাপন করা হয়েছে তা “ইতিবাচক” এবং প্রযুক্তিগত পর্যায়ের আলোচনা এখনো চলমান।
গত রোববার অনুষ্ঠিত এই বৈঠক যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের সরাসরি আলোচনার প্রথম ধাপ ছিল, যা সোমবার ভোরে শেষ হয়।
১০০ মিনিটের ওই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ অংশ নেন। কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত এই আলোচনাকে দুই পক্ষই “ইতিবাচক ও গঠনমূলক পরিবেশে” হয়েছে বলে জানায়।
কাতার ও পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আলোচনায় লেবাননের যুদ্ধ শেষ করা এবং ইরানের অর্থনীতির ওপর চাপ কমানোর বিষয়ে “উৎসাহব্যঞ্জক অগ্রগতি” হয়েছে।
সূত্র- টিআরটি ওয়ার্ল্ড
জে আই