দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তাইওয়ানের কাছে প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন নৌবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত সচিব হাং কাও সিনেটের এক শুনানিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘ইপিক ফিউরি’ নামে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ সামরিক অভিযানের জন্য পর্যাপ্ত অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে প্রশাসন প্রয়োজন মনে করলে পরবর্তীতে বৈদেশিক সামরিক বিক্রি কার্যক্রম আবার চালু হবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, অস্ত্র বিক্রি স্থগিত বা পরিবর্তন সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য এখনো তারা পায়নি।
দীর্ঘদিন ধরেই তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রি নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছে চীন। বেইজিং তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের হুমকিও দিয়ে রেখেছে।
স্থগিত হওয়া এই অস্ত্র প্যাকেজে আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র, প্যাট্রিয়ট পিএসি-৩ এবং সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রি নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান দেননি। পরে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে খুব শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ট্রাম্প আরও জানান, চীনের সঙ্গে আলোচনায় তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি বিস্তারিতভাবে আলোচনা হয়েছে। যদিও ১৯৮২ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, তাইওয়ানকে অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে বেইজিংয়ের সঙ্গে পরামর্শ না করার অঙ্গীকার ছিল ওয়াশিংটনের।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে বরাবরই বলে আসছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সহায়তা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সূত্র: বিবিসি
এমএস/