দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মাত্র ৪০ দিনের যুদ্ধেই ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের ব্যাপক অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিমানবন্দর ও সেতুসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার ফলে বহু মানুষ চাকরি হারিয়েছেন।
সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়া শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ইসরায়েলি দৈনিক জেরুজালেম পোস্টের বরাতে জানায়, এই সময়ের মধ্যে ইরানের ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে আনুমানিক ১৪০ থেকে ১৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ লাখ কোটি টাকার সমান।
ইরানের রেডক্রস সোসাইটির প্রধান পিরহোসেন কোলিভান্ডের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধে দেশটির ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৩০টি বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ লাখ আবাসিক বাড়ি রয়েছে, যেগুলোর কিছু আংশিক ও কিছু সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এছাড়া হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে ২৩ হাজার ৫০০টি বাণিজ্যিক কেন্দ্র। স্বাস্থ্যখাতেও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, যার মধ্যে ৩৩৯টি হাসপাতাল, ফার্মেসি, ল্যাবরেটরি, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও জরুরি ইউনিট রয়েছে।
শিক্ষা খাতে ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৮৫৭টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি রেডক্রসের ২০টি অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জ্বালানি সংরক্ষণাগার, বিমানবন্দর ও বেসামরিক বিমানসহ অন্তত ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতেও হামলা চালানো হয়েছে।
সামরিক অবকাঠামোর ক্ষেত্রেও বড় ধরনের ক্ষতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের চারটি প্রধান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র—খোজির, পারচিন, হাকিমিয়েহ ও শারাউদ—এবং ২৯টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
এমএস/