দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের খার্গ দ্বীপে থাকা সব সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই ঘোষণার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে পারস্য উপসাগরে অবস্থিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপটি।
খার্গ দ্বীপ ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ১৫ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থিত একটি ছোট দ্বীপ, যার দৈর্ঘ্য প্রায় পাঁচ মাইল। আকারে ছোট হলেও ইরানের জ্বালানি রপ্তানির ক্ষেত্রে দ্বীপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
খার্গ দ্বীপকে ইরানের তেল সরবরাহের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দ্বীপটিতে বাসিন্দা তুলনামূলকভাবে কম হলেও দেশটির মোট রপ্তানিকৃত অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে বাইরে যায়।
বড় বড় তেলবাহী ট্যাংকার প্রথমে খার্গ দ্বীপে তেল নিয়ে আসে। সেখান থেকে সেগুলো পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে যায়। এসব তেলের বড় অংশই যায় চীনে।
যদি খার্গ দ্বীপে প্রবেশাধিকার বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের অর্থনীতি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
এর আগে চলতি মাসের শুরুতে অ্যাক্সিওস এক প্রতিবেদনে জানায়, খার্গ দ্বীপ দখলে নিতে বিশেষ বাহিনী পাঠানোর সম্ভাবনা বিবেচনা করছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সূত্র: বিবিসি
/অ