দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের ঐতিহাসিক শহর ইসফাহানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ইসরায়েলের বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইরানি গণমাধ্যম ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে এমন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইসফাহান প্রাদেশিক গভর্নরের কার্যালয়ের কাছে বিস্ফোরণ ঘটলে সাফাভি যুগের ঐতিহাসিক ‘চেহেল সোটুন’ প্রাসাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ১৭শ শতকের এই প্রাসাদটি তার দেয়ালচিত্র, প্রতিফলন পুকুর এবং ঐতিহাসিক হলঘরের জন্য পরিচিত।
গভর্নরের কার্যালয়ের খুব কাছেই প্রাসাদটি অবস্থিত। ধারণা করা হচ্ছে, হামলার বিস্ফোরণের অভিঘাতে প্রাসাদ কমপ্লেক্সের কিছু অংশে ক্ষতি হয়েছে।
ইসফাহানের এক বাসিন্দা জানান, ঐতিহাসিক এলাকাটিকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আশপাশের সড়কগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং মানুষকে সেখানে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।
তিনি বলেন, ‘চারপাশের সড়কগুলো খুব কঠোরভাবে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। গাড়ি বা হেঁটে কেউ যেতে পারছে না। অনেক সময় মানুষের ফোনও নিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে খুব কম ছবি পাওয়া যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘চেহেল সোটুন ভবন ও গভর্নরের কার্যালয়ের মাঝখানে মাত্র কয়েকটি গাছ ছিল। বিস্ফোরণে সেগুলোরও ক্ষতি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।’
এ ছাড়া ইউনেস্কো ঘোষিত নকশে জাহান স্কয়ারের আশপাশেও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। সাফাভি যুগের এই ঐতিহাসিক চত্বরে আলি কাপু প্রাসাদসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও ঐতিহাসিক মসজিদ রয়েছে।
এর আগে তেহরানে হামলার পর ইরানের ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলো ঝুঁকির মুখে রয়েছে বলে সতর্ক করেছিল জাতিসংঘের সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কো।
সংস্থাটি জানায়, তেহরানের গোলেস্তান প্রাসাদের কাছাকাছি এলাকায় বিমান হামলার পর ধ্বংসাবশেষ ও বিস্ফোরণের অভিঘাতে ওই স্থাপনাটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ইউনেস্কো জানিয়েছে, ইরান ও আশপাশের অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিস্থিতি তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
সূত্র: সিএনএন
এমএস/