দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার ঘোষণা করেন, ইরানে এক ‘বৃহৎ’ সামরিক অভিযানের সময় ইসলামী বিপ্লবী রক্ষাকবল (IRGC)-এর সদস্যরা যদি অস্ত্র ত্যাগ না করেন, তবে তাদের ‘নিশ্চিত মৃত্যু’ ভোগ করতে হবে।
আইআরজিসি হলো ইরানের মিলিটারি বাহিনীর এলিট শাখা, যা দশকের পর দশক ধরে ইরানি শাসন ব্যবস্থাকে সমর্থন করছে। এটি দেশের বাইরে শত্রুদের মোকাবিলা এবং দেশের ভেতরে প্রতিবাদ দমন করার দায়িত্ব পালন করে।
আইআরজিসি কবে এবং কেন গঠিত হলো? ১৯৭৯ সালে ইরানের শেষ শাসক উৎখাত হওয়ার পর বিভিন্ন প্যারামিলিটারী গ্রুপ একত্র হয়ে আইআরজিসি গঠন করে। প্রথমে এটি নিয়মিত সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার চেষ্টা প্রতিহত করে এবং ১৯৮০-এর দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় ক্ষমতা শক্তিশালী করে। আজ আইআরজিসি ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক শাখা, যার ১৫০,০০০ থেকে ১,৯০,০০০ সদস্য রয়েছে। এর নিজস্ব সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও গোয়েন্দা শাখা রয়েছে এবং এটি ইরানের অর্থনীতিতেও জড়িত।
কুদস ফোর্স কী? কুদস ফোর্স হলো আইআরজিসির এক্সপেডিশনারি ইউনিট, যেখানে সর্বোচ্চ দক্ষতার যোদ্ধারা রয়েছেন। মূলত বিদেশি অপারেশনের জন্য গঠিত, লেবাননের হিজবুল্লাহ থেকে গাজার হামাস, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী ও ১৯৯০-এর দশকে আফগানিস্তানের তালেবানকে সহায়তা প্রদান করেছে।
বসিজ কী? বসিজ হলো আইআরজিসির একটি শাখা যা দেশীয় পুলিশ-এর মতো কাজ করে। ফার্সিতে ‘মোবিলাইজেশন’ অর্থাৎ জনগণকে সংগঠিত করার দায়িত্বপ্রাপ্ত এই স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের, বিশেষ করে দরিদ্র ও রক্ষণশীল পটভূমি থেকে সদস্য সংগ্রহ করে। এটি দেশে শাসন ব্যবস্থাকে সমর্থন ও ইসলামী নৈতিকতা রক্ষা করার দায়িত্ব পালন করে।
সূত্র: সিএনএন
এমএস/