দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানকে চুক্তিতে রাজি করাতে সীমিত সামরিক হামলার কথা বিবেচনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, তিনি ইরানের ওপর সীমিত হামলার বিষয়টি বিবেচনা করছেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয় আমি বলতে পারি, আমি সেটা বিবেচনা করছি,’ যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় তিনি কি চুক্তিতে চাপ সৃষ্টি করতে সীমিত সামরিক হামলার কথা ভাবছেন কিনা।
ট্রাম্প বিস্তারিত কিছু জানাননি এবং ওই অনুষ্ঠানে অন্য প্রশ্নেরও উত্তর দেননি।
এর আগে বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে ‘বোর্ড অব পিস’-এর উদ্বোধনী সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে’ ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, তেহরানকে একটি ‘অর্থবহ’ চুক্তিতে পৌঁছাতে হবে এবং পুনরায় উল্লেখ করেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া যাবে না, কারণ তা আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘তাদের চুক্তি করতেই হবে। তা না হলে… খারাপ কিছু ঘটবে।’
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি শুক্রবার বলেছেন, চলমান আলোচনায় তেহরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিতের কোনো প্রস্তাব দেয়নি এবং যুক্তরাষ্ট্রও শূন্য মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের কোনো দাবি তোলেনি।
যুক্তরাষ্ট্রের কেবল নিউজ নেটওয়ার্ক এমএস নাউ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেন, তেহরান ও ওয়াশিংটন এমন উপায় নিয়ে আলোচনা করছে যাতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রমসহ, শান্তিপূর্ণ থাকে তা নিশ্চিত করা যায়।
আরাঘচি বলেন, ‘যদি কেউ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সমাধান চায় এবং এটি যেন শান্তিপূর্ণ থাকে তা নিশ্চিত করতে চায়, তবে একমাত্র পথ হলো আলোচনা ও কূটনৈতিক সমাধান।’
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র চলতি মাসের শুরুর দিকে ওমানের মাসকাটে পারমাণবিক আলোচনা পুনরায় শুরু করে। এরপর ওমানের মধ্যস্থতায় মঙ্গলবার জেনেভায় আরেক দফা আলোচনা হয়।
এবি/