দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

লিবিয়ার প্রয়াত নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফির জানাজায় হাজারো মানুষ অংশ নিয়েছেন। একসময় বাবার সম্ভাব্য উত্তরাধিকারী হিসেবে পরিচিত সাইফ আল-ইসলাম চলতি সপ্তাহে মুখোশধারী বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হন। তার মৃত্যুর পর কেন্দ্রীয় ও পশ্চিম লিবিয়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ বানি ওয়ালিদ শহরে এসে জানাজায় যোগ দেন।
জানাজায় অংশ নেওয়া মানুষের মধ্যে সাধারণ নাগরিকের পাশাপাশি তার সমর্থকরাও ছিলেন। অনেকে গাদ্দাফি পরিবারের ছবি ও স্মৃতিচিহ্ন বহন করে সেখানে উপস্থিত হন। কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের ব্যানার ছাড়াই এই সমাবেশকে অনেকে একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক বার্তা হিসেবে দেখছেন, কারণ বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে সাইফ আল-ইসলাম একটি প্রতীকী চরিত্রে পরিণত হয়েছিলেন।
২০১১ সালের বিপ্লবের পর তিনি দীর্ঘ সময় বন্দি ছিলেন এবং ২০১৭ সালে সাধারণ ক্ষমায় মুক্তি পাওয়ার পর আবার লিবিয়ার রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করেন। তার মৃত্যুর পর সমর্থকেরা বিভিন্নভাবে শোক প্রকাশ করছেন এবং অনেকে মনে করছেন, এ ঘটনা দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
জানাজার স্থান হিসেবে বানি ওয়ালিদ বেছে নেওয়া হয়, যা গাদ্দাফি পরিবারের ঐতিহাসিক শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সাইফ আল-ইসলাম পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা এবং লিবিয়ার রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছিলেন। তার জানাজায় বিপুল মানুষের উপস্থিতি এ ঘটনাকে লিবিয়ার সাম্প্রতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে তুলে ধরেছে।
এমএস/