দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আল-শাদ্দাদি শহরের একটি কারাগার থেকে ১২০ জন আইএসআইএল (আইএসআইএস) যোদ্ধা পালিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে কুর্দি-নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ)-এর মুখপাত্র ফারহাদ শামির দাবি, এ সংখ্যা প্রায় দেড় হাজার।
কুর্দি-নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ)-এর সঙ্গে সিরীয় সেনাবাহিনীর সংঘর্ষ চলাকালে তারা পালিয়ে যায়। খবর রয়টার্স
সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, শাদ্দাদি কারাগার থেকে প্রায় ১২০ জন ইসলামিক স্টেট (আইএস) বন্দি পালিয়ে গেছে।
তবে কুর্দি ওয়েবসাইট রুদাও জানিয়েছে, কুর্দি-নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ)-এর মুখপাত্র ফারহাদ শামির বরাতে প্রায় ১ হাজার ৫০০ ইসলামিক স্টেট সদস্য পালিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
সিরীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, কারাগার থেকে পালানোর ঘটনার পর সিরীয় সেনাবাহিনীর ইউনিট ও মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বাহিনী শাদ্দাদি শহরে প্রবেশ করে।
তারা আরও জানায়, শহর ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি ও অভিযান চালিয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ইতোমধ্যে ৮১ জন পলাতককে পুনরায় আটক করতে সক্ষম হয়েছে। বাকি পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা-র বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আল-শাদ্দাদি শহরের একটি কারাগার থেকে আইএসআইএল (আইএসআইএস) যোদ্ধারা পালিয়ে যাওয়ার পর সেখানে কারফিউ জারি করেছে সিরীয় সেনাবাহিনী।
সোমবার আল জাজিরা আরবিকে সিরীয় সেনাবাহিনী জানায়, তারা এখন আল-শাদ্দাদি শহর ও সন্দেহভাজন আইএসআইএল বন্দিদের রাখা কারাগারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সেনারা পালিয়ে যাওয়া যোদ্ধাদের খোঁজে শহর ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে।
সিরিয়ান অপারেশনস অথরিটিও সানাকে জানিয়েছে, রাক্কার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত আল-আকতান কারাগার ও শহরের নিরাপত্তা স্থাপনাগুলোর নিয়ন্ত্রণ অভিযানের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে তুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তারা দাবি করেছে, এসডিএফ ইচ্ছাকৃতভাবে আইএসআইএল সদস্যদের মুক্ত করে দিয়েছে।
তবে সেনাবাহিনী কারাগার থেকে কতজন যোদ্ধা মুক্তি পেয়েছে, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি।
এসডিএফ এক বিবৃতিতে বলেছে, সেনাবাহিনীর হামলার পর তারা কারাগারের নিয়ন্ত্রণ হারায়—যদিও সেনাবাহিনী এ দাবি অস্বীকার করেছে।
কুর্দি-নেতৃত্বাধীন এই বাহিনী আরও জানিয়েছে, আল-আকতানের আশপাশে সংঘর্ষে তাদের নয়জন সদস্য নিহত এবং আরও ২০ জন আহত হয়েছেন।
এবি/