দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অর্থনৈতিক সংকট, দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা এবং সাম্প্রতিক যুদ্ধের চাপ—সব মিলিয়ে টানা ১২ দিন ধরে অস্থির ইরান। দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অভিযানের অভিযোগ তুলেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়।
এদিকে, এরই মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশে কাসেম সোলাইমানির ভাস্কর্য গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ৩১টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়া এই আন্দোলন ইরানের বর্তমান নেতৃত্বকে নজিরবিহীন চাপে ফেলেছে।
কর্তৃপক্ষ এই অস্থিরতার জন্য ‘দাঙ্গাবাজদের’ দায়ী করেছে। বিক্ষোভকারীদের বিচারের ক্ষেত্রে ‘কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না’ বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির বিচার বিভাগের প্রধান।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে ক্ষমতাচ্যুত শাহের পুত্র ও প্রভাবশালী নির্বাসিত বিরোধী নেতা রেজা পাহলভি গেল বুধবারের বিক্ষোভে অংশগ্রহণকে এই আন্দোলনের জন্য ‘অভূতপূর্ব’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বড় পরিসরে নতুন বিক্ষোভ আয়োজনেরও আহ্বান জানিয়েছিলেন।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক বিবৃতিতে জানায়, ‘১০ দিনের বেশি সময় ধরে চলা বিক্ষোভ দমন করতে অবৈধ বলপ্রয়োগ করা হয়েছে। ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে বিক্ষোভকারী ও সাধারণ পথচারী নিহত ও আহত হয়েছেন।’
এদিকে মানবাধিকার পর্যবেক্ষক সংস্থা এইচআরএএনএ (HRANA) প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশের কুহচেনার শহরে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের কুদস ফোর্সের সাবেক প্রধান কাসেম সোলাইমানির একটি ভাস্কর্য ভেঙে ফেলে উল্লাস করছেন বিক্ষোভকারীরা।
এইচআরএএনএ বলছে, তাদের হিসাব অনুযায়ী ইরানের ৩১টি প্রদেশের সবগুলোতেই মোট ৩৪৮টি স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে।
এদিকে, চলমান অস্থিরতার মধ্যেই ভর্তুকি সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে তেহরান। এর অংশ হিসেবে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বৃহস্পতিবার দেশীয় সরবরাহকারীদের পণ্য মজুতদারি ও অতিরিক্ত দাম নেয়া থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন বলে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।
পেজেশকিয়ান বলেন, ‘পণ্যের সরবরাহ ও বিতরণ নিয়ে জনগণের মধ্যে কোনো ধরনের ঘাটতির অনুভূতি থাকা উচিত নয়।’
সূত্র: দ্য ডন
/অ