দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ পাওয়া ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সামরিক বাহিনীর ড্রোন সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। এই লক্ষ্যেই দেশটির সেনাবাহিনী, অন্যান্য প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং বিশেষ বাহিনীগুলোকে সজ্জিত করতে ৮৫০টি কামিকাজি ড্রোন—যা লয়টারিং মিউনিশন নামেও পরিচিত—কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
প্রতিরক্ষা সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআই।
সূত্র জানায়, প্রস্তাবটি বর্তমানে অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ার অগ্রসর পর্যায়ে রয়েছে এবং শিগগিরই ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (ডিএসি)-এর অনুমোদন পেতে পারে। চলতি মাসের শেষ দিকে কাউন্সিলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই ক্রয় প্রক্রিয়া ফাস্ট-ট্র্যাক পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হবে এবং ড্রোন ও তাদের লঞ্চার সম্পূর্ণভাবে দেশীয় উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে।
যদিও ভারতীয় সেনাবাহিনী ইতিমধ্যে বিভিন্ন সরবরাহকারীর কাছ থেকে সংগৃহীত একাধিক ধরনের কামিকাজি ড্রোন ব্যবহার করছে, তবু সূত্রগুলো জানিয়েছে, নিকট ভবিষ্যতে আরও প্রায় ৩০ হাজার ড্রোন সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে সব রণক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর যুদ্ধ ইউনিটগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো হবে।
পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনীর প্রতিটি পদাতিক ব্যাটালিয়নে একটি করে বিশেষ ‘অশনি’ প্লাটুন গঠন করা হবে, যার মূল দায়িত্ব থাকবে ড্রোন পরিচালনা।
সূত্র অনুযায়ী, এসব ড্রোন ইউনিট শত্রুপক্ষের অবস্থানের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করবে এবং সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে সহায়তা দেবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ব্যাপক ড্রোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা থেকেই ড্রোন সক্ষমতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পহেলগাঁওয়ে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার প্রতিশোধ হিসেবে শুরু হওয়া এই অভিযানে পাকিস্তানের ভেতরে সন্ত্রাসীদের সদর দপ্তরে আঘাত হানতে ড্রোন মোতায়েন করা হয়। ওই হামলায় ২৬ জন নিহত হন। অভিযানের প্রথম দিনেই চিহ্নিত নয়টি সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে সাতটিকে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয় ভারতীয় বাহিনী।
এবি/