দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গাজা উপত্যকার কেন্দ্রে এক ব্যক্তির ওপর ‘লক্ষ্যভিত্তিক হামলা’ চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েল দাবি করেছে, ওই ব্যক্তি ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছিলেন। শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। তবে উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে। ইসরায়েল বলেছে, হামলাটি ইসলামিক জিহাদ গোষ্ঠীর এক সদস্যকে লক্ষ্য করে চালানো হয়।
রোববার ইসলামিক জিহাদ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েলের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’। তবে তারা তাদের কোনো সদস্য নিহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তারা একটি ড্রোন থেকে নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র একটি গাড়িতে আঘাত করতে দেখেছেন, যা পরে আগুনে পুড়ে যায়। স্থানীয় চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হামলায় চারজন আহত হয়েছেন, তবে কেউ নিহত হয়েছেন বলে তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানিয়েছেন, ইসরায়েলি ট্যাংক গাজা সিটির পূর্বাংশে গোলাবর্ষণ করেছে। তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
কয়েকটি ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, দীর্ঘদিন পর নীতিগত পরিবর্তন এনে ইসরায়েল মিশরীয় কর্মকর্তাদের গাজায় প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলি বসতিতে হামলার সময় যাদের অপহরণ করা হয়েছিল, তাদের মরদেহ উদ্ধারে তারা কাজ করছেন। হামাস জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে সব জিম্মিকে ফেরত দেওয়া হবে, তবে এখনো ১৩ জনের মরদেহ গাজাতেই রয়ে গেছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
সূত্র: রয়টার্স
এমএস/