দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইসরায়েল গাজা উপত্যকার রাফাহ শহরে বিমান হামলা চালিয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী বলছে, হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে একাধিক হামলা চালিয়েছে, যা ‘চুক্তির গুরুতর লঙ্ঘন’।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানান, হামাস ‘ইসরায়েলি বাহিনীর অবস্থানে একাধিক হামলা চালিয়েছে, যা মার্কিন-সমর্থিত যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপে নির্ধারিত হলুদ রেখার বাইরে’। ওই রেখার বাইরে থেকেই হামলাগুলো চালানো হয় বলে দাবি করেছে ইসরায়েল।
অন্যদিকে হামাস বলেছে, তারা যুদ্ধবিরতিতে অটল আছে এবং ইসরায়েলই বারবার তা ভেঙেছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, রাফাহর দক্ষিণাঞ্চলে হামাস যোদ্ধাদের সঙ্গে ইসরায়েল-সমর্থিত একটি মিলিশিয়া গোষ্ঠীর সংঘর্ষের পর ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো একাধিক হামলা চালায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ইউরোপিয়ান হাসপাতালের দক্ষিণে গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলার শব্দে রাফাহ কেঁপে ওঠে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হামলার লক্ষ্যবস্তু এলাকাটি ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিবিসির এক স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, হামাস যোদ্ধারা রাফাহর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ইয়াসের আবু শাবাবের নেতৃত্বাধীন একটি গোষ্ঠীর ওপর হামলা চালায়। তখন ইসরায়েলি ট্যাঙ্ক থেকে পাল্টা গোলাবর্ষণ শুরু হয়, যা অল্প সময়ের বন্দুকযুদ্ধে পরিণত হয়। পরে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো ওই স্থানে বোমা ফেলে।
গাজার সিভিল ডিফেন্সের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বিবিসিকে বলেন, ‘রাফাহর পরিস্থিতি সম্পর্কে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। বাসিন্দারা কয়েকটি বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণের খবর দিয়েছেন, কিন্তু ইসরায়েলি বাহিনী মোতায়েন থাকায় আমাদের উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে যেতে পারছে না।’
হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতা ইজ্জাত আল-রিশক এক বিবৃতিতে বলেন, ‘হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে অটল রয়েছে। ইসরায়েলই চুক্তি ভঙ্গ করছে এবং নিজেদের আগ্রাসনের অজুহাত তৈরির চেষ্টা করছে।’
তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার চরমপন্থী জোটের চাপের মুখে মধ্যস্থতাকারীদের সামনে দায় এড়ানোর জন্য এসব করছে। সূত্র: বিবিসি
এমএস/