দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গাজা পুনর্গঠনে প্রয়োজনীয় প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল গঠনে ইউরোপীয় ও আরব দেশগুলো, কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
মঙ্গলবার জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) এক কর্মকর্তা বলেন, দুই বছরের যুদ্ধে গাজায় যে পরিমাণ ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে, তা ‘গিজার পিরামিডের ১৩ গুণ ধ্বংসাবশেষের সমান’।
ইউএনডিপি-র কর্মকর্তা ইয়াকো সিলিয়ার্স জানান, ইসরায়েল ও হামাসের যুদ্ধের ফলে গাজায় অন্তত ৫ কোটি ৫০ লাখ টন ধ্বংসাবশেষ সৃষ্টি হয়েছে, যা সরাতে ও পুনর্গঠনে কয়েক দশক সময় লাগতে পারে।
তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা ইউরোপীয় দেশগুলো ও কানাডাসহ বেশ কয়েকটি অংশীদার দেশের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছি। যুক্তরাষ্ট্রের সাথেও এ বিষয়ে আলোচনা চলছে।’
সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির পর গাজার বিপুল সংখ্যক মানুষ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া বাড়িঘরে ফিরে আসছে। গত দুই বছরে ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে প্রায় ৬৮ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।
জাতিসংঘের স্যাটেলাইট কেন্দ্র (ইউএনওস্যাট) জানিয়েছে, গাজা শহরের প্রায় ৮৩ শতাংশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে—যা ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধক্ষেত্র।
ইউএনডিপি জানায়, ইতিমধ্যে গাজা থেকে প্রায় ৮১ হাজার টন ধ্বংসাবশেষ সরানো হয়েছে এবং এই কাজ অব্যাহত রয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসরায়েলে হামলা চালায়, যাতে ১,২০০ মানুষ নিহত ও ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। এরপরই ইসরায়েল গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে।
চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় সোমবার হামাস শেষ জীবিত ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দেয় এবং ইসরায়েলও শতাধিক ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বিনিময়ের পর আনুষ্ঠানিকভাবে দুই বছরের দীর্ঘ যুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
সূত্র: রয়টার্স
এমএস/