দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গত ১২ ঘণ্টায় আরও ২০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে দখলদার ইসরায়েল। শনিবার (৪ অক্টোবর) গাজার হাসপাতালের সূত্রগুলো এ তথ্য জানিয়েছে।
সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে শর্তসাপেক্ষে রাজি হওয়ার পর গাজায় তাৎক্ষণিকভাবে হামলা বন্ধের নির্দেশনা দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু এরপরও হামলা অব্যাহত রাখে দখলদাররা। তাদের এসব হামলায় আরও ২০ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, শনিবার রাত ১২টা থেকে দুপুর ১২টা ৪৫ পর্যন্ত গাজা সিটির আল-আহলি ব্যাপটিস্ট হাসপাতালে ১১ জনের মরদেহ আনা হয়। এছাড়া আল-শিফা, আল-আওদা এবং নাসের হাসপাতালেও মরদেহ আসার খবর পাওয়া গেছে।
সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, হামাস যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে রাজি হওয়া সত্ত্বেও শনিবার সারারাত হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েল।
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও তাদের সেনাবাহিনীর জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে জিম্মিদের ফেরত নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।
তবে নেতানিয়াহু ও ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কারও বিবৃতিতেই গাজা সিটি দখল চেষ্টা বাদ ও বোমাবর্ষণ বন্ধের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি।
সিএনএন বলেছে, হামাস শর্তসাপেক্ষে ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মেনে নেওয়ার ঘোষণার পর ট্রাম্প প্রকাশ্যে যেভাবে হামাসের পক্ষে এবং গাজায় হামলা বন্ধের কথা বলেছেন, এতে নেতানিয়াহু অবাক হয়েছেন। কারণ তিনি ধরে নিয়েছিলেন, হামাস যদি শর্তসাপেক্ষে যুদ্ধবিরতি মানার ঘোষণা দেয় তাহলে এটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান হিসেবে ধরা হবে।
কিন্তু ট্রাম্প ইসরায়েলকে হামলা বন্ধের নির্দেশ দেওয়ার পর মধ্যরাতেই নেতানিয়াহু জরুরি বৈঠক করেন। সূত্র: সিএনএন
কে