দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভেনেজুয়েলার উপকূলে মাদকবাহী সন্দেহভাজন একটি নৌকায় মার্কিন হামলায় চারজন নিহত হয়েছে।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহে এ ধরনের হামলার ঘটনা এটি অন্তত চতুর্থ।
হেগসেথ জানান, আন্তর্জাতিক জলসীমায় এ হামলা চালানো হয়। নিহত সবাই পুরুষ এবং তারা বিপুল পরিমাণ মাদক আমেরিকায় পাঠাচ্ছিল বলে দাবি করেন তিনি। এক ভিডিওতে দেখা যায়, নৌকাটিকে লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণের পর বিস্ফোরণে সেটি ধ্বংস হয়।
তিনি বলেন, ‘আমাদের জনগণের ওপর আক্রমণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসব অভিযান চলবে।’ তবে হামলার প্রমাণস্বরূপ কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও দাবি করেছেন, নৌকাটিতে এত মাদক ছিল যা ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার মানুষকে হত্যার জন্য যথেষ্ট। তবে তিনি কোনো প্রমাণ দেননি।
অতীতে এ ধরনের অভিযান সাধারণত মার্কিন কোস্টগার্ড পরিচালনা করত। কিন্তু এখন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী সরাসরি এসব অভিযানে যুক্ত হচ্ছে। সম্প্রতি কংগ্রেসে পাঠানো এক নথিতে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন মাদক কার্টেলগুলোর বিরুদ্ধে ‘অভ্যন্তরীণ সশস্ত্র সংঘাত’ চালাচ্ছে বলে ধরে নিয়েছে।
সামরিক আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্দেহভাজন মাদক পরিবহনকারীদের সাগরে হত্যা করে আটক না করার যে যুক্তি ট্রাম্প প্রশাসন দিচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক আইনের শর্ত পূরণ করে না।
এদিকে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি তৈরি হয়েছে। পুয়ের্তো রিকোতে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, আটটি যুদ্ধজাহাজ, হাজারো নৌসেনা ও মেরিন, এমনকি একটি পারমাণবিক সাবমেরিন মোতায়েন করা হয়েছে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্র করছে। গত আগস্টে ওয়াশিংটন তার গ্রেপ্তারের জন্য পুরস্কার দ্বিগুণ করে ৫ কোটি ডলার ঘোষণা করে। তবে মাদুরো এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সূত্র: রয়টার্স
এমএস/