দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইসরায়েলি বাহিনী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার শেষ নৌযানটিও আটক করেছে। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকালে লাইভস্ট্রিম ভিডিওতে দেখা যায়, ইসরায়েলি কমান্ডোরা নৌযানে প্রবেশ করে নিয়ন্ত্রণ নেয়। এর আগে বৃহস্পতিবার ইসরায়েল দাবি করেছিল, ফ্লোটিলার একটি ছাড়া সব নৌযানই আটক করা হয়েছে।
এ অবস্থায় যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় আবারও ত্রাণ পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর জোট ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন (এফএফসি)। সংগঠনটির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইতালি ও ফ্রান্সের পতাকাবাহী দুটি নৌযান গত ২৫ সেপ্টেম্বর ইতালির ওৎরান্তো বন্দর থেকে গাজার উদ্দেশে যাত্রা করে। এর পর ৩০ সেপ্টেম্বর আরও ৯টি নৌযান রওনা হয়। শিগগিরই এরা একত্রিত হয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ বহর হিসেবে গাজার দিকে অগ্রসর হবে।
এফএফসি জানায়, নতুন বহরের ১১টি নৌযানে প্রায় ১০০ জন স্বেচ্ছাসেবী ও ক্রু রয়েছেন। এ জোটে রয়েছে ফ্রিডম ফ্লোটিলা ফাউন্ডেশন, গ্লোবাল মুভমেন্ট টু গাজা, মাগরেব সুমুদ ফ্লোটিলা এবং সুমুদ নুসানতারা। ২০০৮ সালে গঠিত এফএফসি ইতোমধ্যে একাধিকবার গাজায় ত্রাণ পাঠিয়েছে।
এর আগে গত আগস্টে এফএফসি ৪৩টি খাদ্য ও ওষুধবাহী নৌযান গাজায় পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছিল। সেই অভিযানের নাম দেওয়া হয় ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’। তাতে ছিলেন সুইডেনের পরিবেশ আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার নাতি মান্ডলা ম্যান্ডেলা, আরও ৪৪টি দেশের প্রায় ৫০০ নাগরিক। তাদের মধ্যে ছিলেন সংসদ সদস্য, আইনজীবী, রাজনৈতিক কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা।
গত ৩১ আগস্ট স্পেনের বন্দর থেকে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা যাত্রা শুরু করে। তবে গাজার উপকূলের কাছে পৌঁছালে একটি ছাড়া সব নৌযান আটক করে ইসরায়েলি নৌবাহিনী।
এমএস/
এমএস/