দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে জর্জিয়ার হুন্ডাই কারখানায় অভিবাসনবিষয়ক অভিযানে আটক হওয়া নিজেদের নাগরিকদের মুক্তির বিষয়ে আলোচনার সমাপ্তি ঘটেছে। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তাদের ফিরিয়ে আনতে চার্টার্ড ফ্লাইট পাঠানো হবে। খবর বিবিসির।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের চিফ অব স্টাফ কাং হুন-শিক বলেছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে ভিসা ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ চলছে।
মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানায়, অভিযানে ৪৭৫ জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ৩০০’র বেশি দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক। তারা অবৈধভাবে হুন্ডাই-এলজি পরিচালিত ব্যাটারি কারখানায় কাজ করছিল বলে অভিযোগ। এটি জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের অন্যতম বৃহৎ বিদেশি বিনিয়োগ প্রকল্প, যেখানে ১,২০০ কর্মী নিয়োজিত।
হোয়াইট হাউস অভিযানকে সঠিক বলে দাবি করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘তারা অবৈধ অভিবাসী, আর আইসিই কেবল নিজের কাজ করেছে।’ আইসিই প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, হলুদ ভেস্ট পরা বহু এশীয় কর্মী হাতকড়া পরিহিত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছেন। আইসিইর বক্তব্য, স্বল্পমেয়াদি ভিসা বা ভিসা ওয়েভারে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারীরা কাজ করার অনুমতি পান না। এ অভিযান আমেরিকানদের কর্মসংস্থান রক্ষায় জরুরি ছিল।
দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যমে ঘটনাটিকে আঘাতজনক বলে বর্ণনা করা হয়েছে। প্রভাবশালী দৈনিক ডং-আ ইলবো সতর্ক করেছে, এ ধরনের পদক্ষেপ মার্কিন বাজারে দক্ষিণ কোরিয়ান কোম্পানিগুলোর কার্যক্রমে শীতল প্রভাব ফেলতে পারে। এদিকে এলজি এনার্জি সলিউশন জানিয়েছে, তাদের ৪৭ কর্মী এবং কারখানার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আরও প্রায় ২৫০ কর্মী আটক হয়েছেন। অনেক কর্মী ব্যবসায়িক সফরে বিভিন্ন ধরনের ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন। প্রতিষ্ঠানটি আপাতত যুক্তরাষ্ট্রে সব ধরনের ব্যবসায়িক সফর স্থগিত করেছে এবং মার্কিন কারখানায় থাকা কর্মীদের দ্রুত দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে।
বর্তমানে আটক কর্মীদের জর্জিয়ার ফকস্টন শহরের একটি আইসিই ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে।
এমএস/